রবিবার, ০২ অক্টোবর, ২০২২

DA মামলা নিয়ে আদালতে জোর ধাক্কা রাজ্য সরকারের! রায়ে কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট?

আত্রেয়ী সেন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ১২:২০ পিএম | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ১২:৩৪ পিএম

DA মামলা নিয়ে আদালতে জোর ধাক্কা রাজ্য সরকারের! রায়ে কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট?
DA মামলা নিয়ে আদালতে জোর ধাক্কা রাজ্য সরকারের! রায়ে কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট?

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ডিএ মামলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যেই বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে, অর্থাৎ আগের নির্দেশই বহাল রাখল হাইকোর্ট। আজ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ ডিএ মামলায় তাঁদের চূড়ান্ত রায় জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের সরকারি কর্মীরা মহার্ঘভাতার দাবি জানিয়ে আসছেন। এর আগে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালও এই ডিএ মামলায় সরকারি কর্মীদের পক্ষেই রায় দিয়েছিল। তবে, স্যাট-এর সেই রায়ের বিরোধিতা করেছিল রাজ্য সরকার। তবে, সরকারের তরফে বিরোধিতা থাকলেও, আদালত সরকারি কর্মীদের পক্ষেই রায় দেয়। আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানায় যে, ‘ডিএ সরকারি কর্মীদের মৌলিক ও ন্যায্য অধিকার’। এর পাশাপাশি আগামী ৩ মাসের মধ্যেই রাজ্য সরকারকে কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

যদিও কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানায় রাজ্য সরকার। তবে, রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেল। এক্ষেত্রে ডিএ মামলায় আগের নির্দেশই বহাল রাখলেন হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সরকারি কর্মীদের পক্ষেই গেল আদালতের রায়। টাকার অভাবে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়া যাচ্ছে না বলে এর আগে হাইকোর্টে জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে, এই ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারের সেই যুক্তি ধোপে টিকল না।

এদিকে, ডিএ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ভাবনা-চিন্তা করছে রাজ্য সরকার। আজ ডিএ মামলার রায়দানের পর কর্মচারী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে যে, ‘সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করব না, তবে এই রায় প্রত্যাশিতই ছিল’।