সোমবার, ০৮ আগস্ট, ২০২২

“জেলে গিয়ে দেখুন কেমন লাগে!” পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের

চৈত্রী আদক

প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২২, ০৮:১৮ পিএম | আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২২, ০৮:১৮ পিএম

“জেলে গিয়ে দেখুন কেমন লাগে!” পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের
“জেলে গিয়ে দেখুন কেমন লাগে!” পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের

বংনিউজ২৪×৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ অর্থাৎ শুক্রবার জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। ইডির আবেদনকে মান্যতা দিয়ে আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দুজনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। পার্থকে রাখা হবে প্রেসিডেন্সির সংশোধনাগারে। অন্যদিকে অর্পিতাকে রাখা হবে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে।

অর্পিতার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হওয়া এবং পার্থ-অর্পিতার গ্রেফতারির পর একাধিকবার সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ। তবে শুক্রবার দু‍‍`জনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতারাতি বোমা ফাটিয়েছেন কুণাল ঘোষ। বলেছেন, “আমি যখন জেলে ছিলাম রোজ যন্ত্রণা পাচ্ছিলাম। তখন এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই বলেছিলেন আমি নাকি পাগল। আমায় দলবিরোধী বলেছিলেন। আজ জেলে গিয়ে দেখুন, কেমন লাগে!”

এর পাশাপাশি কুণাল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আর চার-পাঁচটা কয়েদিদের মতোই জেলে রাখার দাবি জানিয়েছেন। বলেছেন, “জেল কর্তৃপক্ষ যেন পার্থর সঙ্গে সাধারণ বন্দির মতো আচরণ করেন। জেল হাসপাতাল নয়, সেলেই রাখা হোক পার্থকে। জেলের অনেক কর্মী  আমার পরিচিত। যদি খবর পাই পার্থকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাহলে প্রতিবাদ করব।”

কয়েকদিন আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পার্থবাবু দাবি করেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।” এই বিষয়েও পার্থবাবুকে কটাক্ষ করতে ছাড়েন না কুণাল ঘোষ। বলেন, “আমায় যখন পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, আমি প্রথম দিনই বলেছিলাম চক্রান্ত। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তো প্রথম থেকে সেসব কথা বলেননি। আমার সময়ে তো এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই ষড়যন্ত্র করেছিলেন। আর তখন থেকে এই সব অপা করে বেরিয়েছেন।”

প্রসঙ্গত, সারদা কাণ্ডে রাজীব কুমারের নেতৃত্বাধীন বিশেষ তদন্তকারী দল অথবা সিট গ্রেফতার করেছিল কুণাল ঘোষকে। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থাকাকালীন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় দলের মহাসচিব হিসেবে সাংবাদিক সম্মেলনে পার্থবাবু কুণালকে দল থেকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। আজ সেই একই দৃশ্য দেখা গেল। ১৪ দিন ইডি হেফাজতের পর পুনরায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। অন্যদিকে তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কুণাল ঘোষ।