সোমবার, ০৮ আগস্ট, ২০২২

১২৯৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে! বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আত্রেয়ী সেন

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২২, ০৪:২৭ পিএম | আপডেট: জুলাই ৭, ২০২২, ০৪:২৭ পিএম

১২৯৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে! বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
১২৯৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে! বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মসংস্থান নিয়ে জোরালো সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন যে, বাংলার শিক্ষার মান অনেক উন্নত হয়েছে। 

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের শিক্ষার মান সিবিএসই এবং আইসিএইই’র থেকে কোনও অংশে কম নয়। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে এমনটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কর্মসংস্থানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। 

এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে ৮ হাজার পড়ুয়াদের হাতে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর সিভিল সার্ভিসেস স্টাডি সেন্টারের অধীনে রাজ্যের মধ্যে ২২ টি জেলায়, ২৬ টি সিভিল সার্ভিসেস কোচিং সেন্টারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, গত ১০ বছরে রাজ্যে ৩০ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ১৪ টি নতুন মেডিক্যাল কলেজ, ২৭২ টি আইটিআই, ১৭৪ পলিটেকনিক, ৭ হাজার স্কুল, ২ লক্ষের বেশি ক্লাস, ৩৮১টি সাঁওতালি মাধ্যম এবং ৪ হাজারের বেশি অন্য ভাষার স্কুল তৈরি হয়েছে।

পরিসংখ্যান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, ১ কোটি ৩ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী সাইকেল পেয়েছে ইতিমধ্যেই। ১৮ লক্ষ ১৬ হাজার পড়ুয়াকে ট্যাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি এও বলেন যে, ইতিমধ্যেই ১২৯৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর জানান, আগামিদিনে রাজ্যে যত শিল্প হবে, ততোই কর্মসংস্থান বাড়বে। 

এদিকে, ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নতির কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষক ও শিক্ষাক্ষেত্রে কর্ম কর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের যখন পড়াবেন, তখন ওরা কী চাইছে সেটা বুঝতে হবে।’ এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন যে, ‘আমাদেরই বাংলার ছেলে-মেয়েরা হাভার্ড, কেমব্রিজ চালায় এটা কী আমরা ভেবে দেখেছি? সিবিএসই, আইসিএসই-র সঙ্গে আমাদের ছেলেমেয়েদের অনেক নম্বরের ফারাক থাকত আগে। এখন কিন্তু আমাদের ছেলেমেয়েরা নম্বর পায়। আমরা অনেক এগিয়ে আছি আজ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘প্রাইমারি শিক্ষাতে কিন্তু আমরা একনম্বর।’