‘বাংলার ভোটে এসেছিলেন, ফলাফলটা মনে আছে?’ বিপ্লবের গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গে পাল্টা কুণাল

‘বাংলার ভোটে এসেছিলেন, ফলাফলটা মনে আছে?’ বিপ্লবের গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গে পাল্টা কুণাল
‘বাংলার ভোটে এসেছিলেন, ফলাফলটা মনে আছে?’ বিপ্লবের গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গে পাল্টা কুণাল

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করার পর তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় স্তরে তাঁদের সংগঠন বাড়াতে এবং মজবুত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে কেন্দ্রের ক্ষমতা থেকে সরানো। তবে, তার আগে যেসব রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে সেখানেও নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। সেই লক্ষ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের পাখির চোখ ত্রিপুরা। এই রাজ্যে নিজেদের সংগঠন আরও মজবুত করতে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায়ই সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যের নেতা-নেত্রীরা।

এদিকে ত্রিপুরাতে প্রথম দিন থেকে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলার তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। যা নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। প্রত্যেক পদে তাঁদের বিপ্লব দেবের রাজ্যে বাঁধার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে, ত্রিপুরাতে এর মধ্যেই বিজেপির অনেক নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেছেন বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে। প্রথমে বিপ্লব দেব ‘অতিথি দেব ভবঃ’ বলেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সেই মুখ্যমন্ত্রীই রবিবার নাম না করে তৃণমূলকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন। এই মুহূর্তে বিপ্লব দেবের মূল অস্ত্র ‘পাচার’। সেই সূত্র ধরেই এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিলেন বিপ্লব দেব। আর ইতিমধ্যেই বিপ্লব দেবের সেই হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলায় ভোটে আসা এবং তার ফলাফলের কথাও মনে করিয়ে দিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন বিপ্লব দেব। আর এই পোস্টের পরই ত্রিপুরাজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। কী লিখেছেন বিপ্লব দেব? তিনি লিখেছেন, ‘আমি ২০১৫ সালে ত্রিপুরায় দায়িত্ব নিয়ে আসি এবং ২০১৭ সালেই বড়জলা উপনির্বাচনে দলের সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ি। তখন এই বড়জলার প্রত্যেকের বাড়িতে আমি গিয়েছি। বড়জলার প্রত্যেকে আমাকে চেনে আমিও তাদের চিনি। এখন দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি দল আমাদের রাজ্যে এসেছে। এ দলের নেতৃত্বরা পশ্চিমবঙ্গে গরু পাচারের মতো অসামাজিক সঙ্গে যুক্ত। এখানেও যাদের দলে টানছে তারাও এ ধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। আর আমার কাছে তথ্য প্রমাণ রয়েছে যার ভিত্তিতে তাদের আমি গ্রেপ্তার করাবো। আমি দলের কার্যকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলবো প্রত্যেক বিরোধী সিপিএম এর সমর্থকদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য। তাদের কাছে গিয়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরুন। তাদের বোঝান ২৫ বছরের সরকার কি করেছে আর আমরা গত সাড়ে তিন বছরে কি করেছি ও করছি।’

বিপ্লব দেবের এই বক্তব্যের পরেই কুণাল ঘোষ পাল্টা জবাবে বলেন, ‘বাংলার ভোটে এসেছিলেন। ফলাফলটা মনে আছে? ত্রিপুরায় @AITCofficial কে এখনই এত ভয় যে এখানেও রাজনীতি ছেড়ে কুৎসা আর গ্রেপ্তারির হুমকিতে যেতে হয়? যদি ত্রিপুরার কোনো নেতা/কর্মীর বিরুদ্ধে সত্যিই তথ্য থাকে তাহলে তাকে আগেই গ্রেপ্তার করেননি কেন? কেন TMC যোগদানের রাগে হুমকি?’