প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলেই কেন মুখ্যমন্ত্রীর সভা, প্রশ্ন লকেটের

প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলেই কেন মুখ্যমন্ত্রীর সভা, প্রশ্ন লকেটের
image source: facebook post [email protected]

আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। হুগলিতে সভা করবেন তিনি। এর ঠিক দুদিন বাদে সেখানে সভা করতে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

সরকারি কর্মসূচি নিয়ে সম্প্রতি হলদিয়ায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও থাকছে কিছু সরকারি কর্মসূচি। সূত্রের খবর, ওই দিন দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো রেলের সম্প্রসারণ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। রয়েছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকেরও একটি অনুষ্ঠান। তবে ২২ তারিখই হুগলির সাহাগঞ্জের ডানলপ কারখানার মাঠে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর সেই জনসভার পরই ২৪ ফেব্রুয়ারি সেখানে পালটা জনসভায় হাজির হবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েছে জেলা নেতৃত্ব। ক্ষমতা প্রদর্শনে গেরুয়া শিবিরকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের বলে মত ওয়াকিবহল মহলের।

লকেট বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভার সূচি তো অনেক আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছে। তৃণমূঢ় এ রাজ্যে ক্ষমতায় আছে। ওদের এত ভয় কিসের? আসলে ওদের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে। তাই ভয়ে কাঁপছে।

প্রসঙ্গত, হুগলিতে ১৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬ টি তৃণমূলের। অর্থাত্‍ শাসকদলের দাপট সেখানে স্পষ্ট। যদিও লোকসভা নির্বাচনে ওই জেলায় বিজেপি ভাল ফল করেছে। এ ছাড়াও সম্প্রতি উত্তরপাড়ায় তৃণমূলের টিকিটে জেতা বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। হুগলিতে ভিত শক্ত করতেই জনসভা করবেন খোদ মোদি।

করোনা আবহে একুশের নির্বাচনের আগে সভা-পালটা সভার পালা শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গে। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পালটা মঞ্চে নামছেন শুভেন্দু অধিকারী তো কখনও পদ্মশিবিরের পালটা দিয়ে সভায় হুঙ্কার দিচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.