ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির পথেই লোরিয়্যাল, নিল এই বড় সিদ্ধান্ত

ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির পথেই লোরিয়্যাল, নিল এই বড় সিদ্ধান্ত
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির পথেই লোরিয়্যাল, নিল এই বড় সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইউনিলিভার সংস্থার সিদ্ধান্তের পরে শুক্রবারই নিজেদের সমস্ত স্কিনকেয়ার প্রসাধনীর বিজ্ঞাপন থেকে ‘ফেয়ার’, ‘হোয়াইট’, ‘লাইট’ ইত্য়াদি শব্দ সরিয়ে দিতে চলেছে ফ্রান্সের প্রসাধনী সংস্থা লোরিয়্যাল।

সম্প্রতি শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মীর হাতে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আমেরিকার মানুষ। সেই হাওয়া এদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। ক্রান্তীয় দেশ হলেও গায়ের রঙ নিয়ে চিরকালই বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হয়েছে এদেশের মেয়েরা। দীর্ঘদিন ধরেই বেশ কয়েকটি ফেয়ারনেস প্রোডাক্টের বর্ণবিদ্বেষমূলক বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন নন্দিতা দাসের মতো বহু অভিনেত্রী। এত দিন পরে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার সংস্থা। ঘোষণা করা হয়েছে, জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ থেকে ‘ফেয়ার’ শব্দটা বাদ দেওয়া হবে। এর আগে অপর এক বহুজাতিক সংস্থা জনসন অ্যান্ড জনসনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত সহ এশিয়ার দেশগুলিতে আর তথাকথিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি করা হবে না।

এর পরেই লোরিয়্যাল সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, লোরিয়্যাল সংস্থা প্রসাধনী দ্রব্যে ব্যবহৃত শব্দগুলি নিয়ে সচেতন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কোনও দ্রব্যেই ‘ফেয়ার’, ‘হোয়াইট’, ‘লাইট’ এমন শব্দগুলি ব্যবহার করা হবে না।’

বিশ্ব জুড়েই রঙ ফর্সা করার প্রসাধনী দ্রব্যের ব্যবহার রয়েছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে এগুলির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। চিন, ভারত-সহ এশিয়ার দেশগুলির প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা এই ধরনের ‘ফেয়ারনেস ক্রিম’ ব্যবহার করেন। জানা গিয়েছে, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির নামে পাল্টে- ‘কেয়ার অ্যান্ড লাভলি, ফ্রেস অ্যান্ড লাভলি অথবা ডিয়ার অ্যান্ড লাভলি-এই নামগুলির মধ্যে থেকে একটিকে বেছে নেওয়া হতে পারে।ইউনিলিভারের পর ফের একই পথে হাঁটল লোরিয়্যাল সংস্থা।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় সড়ক প্রকল্প থেকেও বাদ চিন

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.