প্রতিশ্রুতি রাখলেন মদন মিত্র! লাল-হলুদে সেজে ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিলেন এক মাসের বেতন

প্রতিশ্রুতি রাখলেন মদন মিত্র! লাল-হলুদে সেজে ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিলেন এক মাসের বেতন
প্রতিশ্রুতি রাখলেন মদন মিত্র! লাল-হলুদে সেজে ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিলেন এক মাসের বেতন

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে ঘিরে অগ্নিগর্ভ ময়দান। বুধবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ময়দান চত্বরে হাজির হয় কলকাতা পুলিশ। সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এই ঘটনার পরই গতকাল লাইভে আসেন তৃনমূল বিধায়ক মদন মিত্র৷ ক্লাবের সাহায্যে পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি লাল-হলুদে অর্থ সাহায্য হিসেবে নিজের একমাসের বেতন দেওয়ারও প্রতিশ্রুতিও দেন। এবার সেই কথাই রাখলেন কামারহাটির বিধায়ক।

গতকাল ময়দানের ঘটনার পর লাইভে এসে মদন মিত্র বলেন, “আমি প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলাম। আমার বাড়ির নিচে ২ হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক দাঁড়ানো। সবাই বলছে, দাদা তুমি লড়াই করো। ওই ২ হাজারের মধ্যে ৫০০-৭০০ মহিলাও রয়েছেন। তাদের একটাই দাবী, পশ্চিমবঙ্গের কোনও ক্লাব কোনও কোম্পানিকে বিক্রি করতে দেবো না। ক্লাবে অভাব অবশ্যই রয়েছে। ট্রফি পায়নি। কিন্তু তাই বলে ক্লাব বিক্রি করে দেওয়া হবে?” এরপরই নিজের একমাসের বেতন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি৷

বৃহস্পতিবার লাল-হলুদ তাঁবুতে হাজির হয়ে যেমন কথা, তেমন কাজ করলেন মদন মিত্র। ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলেন নিজের এক মাসের বেতন। নিজে মোহনবাগান সমর্থক হলে কী হবে! এদিন তাঁকে দেখা গেল লাল পাঞ্জাবি ও হলুদ ধুতিতে। ক্লাবে এসে গোলও করলেন তিনি। এরপর গতকালের লাঠিচার্জ নিয়ে ফের মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “কাল যা হয়েছে ঠিক হয়নি। খুব ভুল কাজ হয়েছে। তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদেরও ভালোবাসাটা বুঝতে হবে।” লাঠিচার্জের ঘটনাটি যে খুবই নিন্দনীয়, এ কথাও স্বীকার করেন নেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী।

এদিন মদন মিত্রকে আরও বলতে শোনা গেল, “এটা কখনও হয় যে লাল হলুদ খেলবে না? আমি ভবানীপুরের ছেলে। আমার মোহনবাগানের মেম্বারশিপ কার্ডের নম্বর ৪৯৫০। তবু আমি ইস্টবেঙ্গলে এসেছি। বিধায়ক হিসেবে আমার এক মাসের মাইনেও দেবো বলেছি। কারণ বাংলার ফুটবলকে বিক্রি হতে দেবো না। হারিয়ে যেতে দেবো না। সবাই থাকবে। ইস্টবেঙ্গল নামেই সঙ্গেই বেঙ্গল জড়িয়ে আছে।” পাশাপাশি বিজেপির দিকেও আঙুল তোলেন বিধায়ক৷ অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদির নাম করেই তিনি অভিযোগ করেন, উচ্চ নেতৃত্বদের উচিৎ ছিল স্পনসর খুঁজে দেওয়া বা ক্লাবগুলোকে বাঁচানোর জন্য অর্থ সাহায্য করা।