এবার প্রোমোটিং নিয়ে সরব মদন মিত্র, দিলেন কব্জি কেটে নেওয়ার হুঁশিয়ারি! পরে চাইলেন ক্ষমা

এবার প্রোমোটিং নিয়ে সরব মদন মিত্র, দিলেন কব্জি কেটে নেওয়ার হুঁশিয়ারি! পরে চাইলেন ক্ষমা
এবার প্রোমোটিং নিয়ে সরব মদন মিত্র, দিলেন কব্জি কেটে নেওয়ার হুঁশিয়ারি! পরে চাইলেন ক্ষমা

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ এবার প্রোমোটিং নিয়ে সরব হলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভে তিনি বলেছিলেন যে, ‘খেলার মাঠ দখল হয়ে যাচ্ছে। মেঘনাদ মাঠের দিকে যে হাত বাড়াবে, তার পাঞ্জা কেটে নেব।’

এদিকে মদন মিত্রের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যারাকপুর-দমদমের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি অবশ্য অন্যকথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এই ধরনের কোনও খবর নেই।’ এই ঘটনার পরেই আবার একটি ফেসবুক লাইভ করেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সেখানে তিনি বলেন যে, ‘পাঞ্জা কেটে নেব মন্তব্য আবেগের বশে করা। আই অ্যাম সরি।’

উল্লেখ্য, বিতর্কের সূত্রপাত মদন মিত্রের একটি ফেসবুক লাইভকে ঘিরে। কামারহাটিতে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছিলেন মদন মিত্র। সেই সময়ই লাইভে এসে দাবী করেন যে, মেঘনাদ মাঠ দখল হয়ে যাচ্ছে। কিছু প্রোমোটার এই খেলার মাঠ দখল করে কংক্রিটের ইমারত তৈরি করতে চাইছে। তাই বিধায়ক মদন মিত্র রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে ফেসবুক লাইভে বলেন যে, ‘মেঘনাদ মাঠের দিকে যে হাত বাড়াবে, তার পাঞ্জা কেটে দেব। আমি মদন মিত্র বলছি। আমি কামারহাটিতে বোমাবাজি বন্ধ করেছি। এরা চুনোপুঁটি।’

মদন মিত্রের এই অভিযোগ প্রসঙ্গে পরে ব্যারাকপুর-দমদমের তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে প্রশ্ন করা হলে, তিনি জানান যে, এই বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও খবর নেই। এখানেই শেষ নয়, বিধায়ক মদন মিত্রের ‘পাঞ্জা কেটে নেব’ মন্তব্যও যে তিনি ভালোভাবে নেননি, তাও স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন।

এরপর আরও একটি ফেসবুক লাইভ করেন মদন মিত্র। সেখানে তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ পার্থ ভৌমিক। পার্থর সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। আমি পাঞ্জা কেটে নেব কথাটা রাগের বশে উত্তেজিত হয়ে বলেছি। আই অ্যাম রিয়েলি সরি। কিন্তু, পার্থ ভৌমিক যেটা জানেন না, সেটা হল এখানে এতো বড় বড় রাঘব বোয়াল বোয়ালেরা আছে না আপনার নৈহাটি, হালিশহরে নেই। ভাটপাড়ার রাঘব বোয়ালরা আরিয়াদহের রাঘব বোয়ালদের কাছে বাচ্চা।’

এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও জানান যে, সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজকে কোভিড হাসপাতালে পরিণত করে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, সেখানে ঘুষ দিয়ে ভর্তি করা হচ্ছিল রোগীদের। যারা এই অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত তাঁদের হাতে পেলে ‘চামড়া তুলে নেব’ বলে মন্তব্য করেন মদন মিত্র। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘খেলার মাঠে প্রোমোটিং হলে চুপ করে থাকব না। প্রশাসন এবং দলের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই যা বলার বলেছি। বাম-কংগ্রেস-বিজেপি যৌথভাবে প্রোমোটিং করছে।’