কী কাণ্ড! নদীর পাড়ে খোঁড়াখুঁড়ি করলেই নাকি মিলছে সোনা ও রুপোর মুদ্রা! সংগ্রহ করতে বহু মানুষের জমায়েত

কী কাণ্ড! নদীর পাড়ে খোঁড়াখুঁড়ি করলেই নাকি মিলছে সোনা ও রুপোর মুদ্রা! সংগ্রহ করতে বহু মানুষের জমায়েত
কী কাণ্ড! নদীর পাড়ে খোঁড়াখুঁড়ি করলেই নাকি মিলছে সোনা ও রুপোর মুদ্রা! সংগ্রহ করতে বহু মানুষের জমায়েত

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ নদীর পাড়ে খুঁড়লেই নাকি পাওয়া যাচ্ছে সোনা এবং রুপোর মুদ্রা! আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলায়। স্থানীয় পার্বতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় এর জন্য রীতিমতো তাঁবু খাটিয়ে থাকতে শুরু করেছেন আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।

চলছে নদীর পাড়ের গুপ্তধন পাওয়ার উদ্দেশে দিনরাত নদীর মাটি খোঁড়ার কাজও। এদিকে এ প্রসঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুজবের জেরেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে পার্বতী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নদীর পাড় থেকে বহু পুরনো কিছু মুদ্রা খুঁজে পান রাজগড় জেলার শিবপুরা ও গরুড়পুরা গ্রামের মৎস্যজীবীরা। এরপরই ওই মুদ্রাগুলিকে কেন্দ্র করে জল্পনা শুরু হয় যে, ওই মুদ্রাগুলি মোঘল আমলের।

আর এই ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই পার্বতী নদীর পাড়ে দলে দলে মানুষের জমায়েত হতে শুরু হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয়ে যায়, নদীর পাড়ের মাটি কোপানোর কাজ। ভোপাল শহর থেকে ১৪১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই এলাকায় আসতে শুরু করেন অন্য জেলার মানুষও। এখনও সেই মাটি খোঁড়ার কাজ জারি রয়েছে মুদ্রার খোঁজে।

রাজগড় জেলার বহু মানুষের বিশ্বাস যে, পার্বতী নদীর পাড়ে অবস্থিত ওই এলাকায় পুরনো কোনও গুপ্তধন আছে। কয়েকজন মৎস্যজীবী সেই গুপ্তধনের খুবই সামান্য হাতে পেয়েছেন। তাই যদি ঠিকঠাক জায়গায় মাটি খনন করা হয়, তাহলে প্রচুর পরিমাণে ধন-সম্পত্তি সাধারণ মানুষের হাতে আসবে। আর সেই কারণেই ওই জেলায় ক্রমশ মানুষের আনাগোনা এবং ভিড় বাড়ছে। ছোটবড় সকলেই এখন গুপ্তধনের সন্ধানে ব্যস্ত।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজগড় জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ শর্মা জানিয়েছেন যে, আমরা ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে কোনও অবনতি না হয়, তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মৎস্যজীবীরা যে মুদ্রাগুলি পেয়েছেন বলে খবর, সেগুলি ব্রোঞ্জের বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাও সাধারণ মানুষ সোনা এবং রুপোর মুদ্রা এবং গুপ্তধনের খোঁজে দিনরাত এক করে মাটি খনন করেই চলেছে। এই ঘটনায় বহু মানুষের জমায়েত হওয়ায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.