‘গদ্দাররা ফোন ট্যাপিংয়ের কথা বলছে,’ নাম না করে শুভেন্দুকে বিঁধলেন মমতা

‘গদ্দাররা ফোন ট্যাপিংয়ের কথা বলছে,’ নাম না করে শুভেন্দুকে বিঁধলেন মমতা
‘গদ্দাররা ফোন ট্যাপিংয়ের কথা বলছে,’ নাম না করে শুভেন্দুকে বিঁধলেন মমতা

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ফের একবার নাম না করে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ২১ জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে নিজের ভাষণের একেবারে শেষের দিকে বলেন, অনেক গদ্দার আছে। তারা মুখে বড় বড় কথা বলছে আবার ফোন ট্যাপিংয়ের কথাও বলছে৷

উল্লেখ্য, গত সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়িতে এসপি অফিসের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশে জেলার পুলিশ সুপারকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘ভাইপোর অফিস থেকে আপনাকে কারা ফোন করে, সেইসব নম্বর, কল রেকর্ড আমার কাছে আছে।’ ওইদিন শুভেন্দু অধিকারী পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে কাশ্মীরে বদলির হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। শুভেন্দুর এই কল রেকর্ড নিয়ে দাবির পরেই, রীতিমতো বিতর্কের সৃষ্টি হয় রাজ্য রাজনীতিতে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস শুভেন্দু অধিকারীর ওই মন্তব্যের পর প্রশ্ন তুলছে যে, শুভেন্দুর হাতে কীভাবে কল রেকর্ড পৌঁছলো?

এদিকে ওই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টা পরেই পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা করে। যার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেক্টস অ্যাক্টে মামলাও দায়ের করা হয়েছে৷ এদিন শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে শুভেন্দুর নাম না করে, তাঁকেই আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘এখনও বাংলায় অনেক কাজ বাকি৷ এই নির্বাচনে অনেক শিক্ষা পেয়েছি৷ মনে রাখবেন, অনেক গদ্দার আছে যারা মুখে বড় বড় কথা বলে আবার ফোন ট্যাপিংয়ের কথাও বলছে৷ এই গদ্দারদের মানুষ একদিন রাজনৈতিকভাবে বিদায় দেবে৷ এটা আমার বিশ্বাস৷’ এখানেই শেষ নয়, নেত্রী আরও বলেন যে, ‘ওরা মানুষের মুখ বন্ধ করে রাজনীতি করতে চায়৷ এটা আমার পছন্দ নয়৷ বিজেপি পার্টিতে গদ্দারদেরই জন্ম হয়৷ ওরা সভ্যতা জানে না৷ সংস্কৃতি জানে না৷’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী একুশে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরাসরি তাঁর নাম নেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতাকে বিঁধতে ‘গদ্দার’-বলেই কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এদিনও মমতার নিশানায় যে শুভেন্দুই ছিলেন, সে বিষয়েও কোনও সন্দেহই নেই।