স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতার কারণে মঙ্গলবার ভোরেই চেন্নাইয়ের হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। এরপরই শোকার্ত মুকুলকে সমবেদনা জানাতে তাঁর বাড়ি গিয়ে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিধানসভা অধিবেশন সেরেই মুকুল রায়ের সল্টলেকের বিডি ব্লকের ৫১ নম্বর বাড়িতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট মুকুল রায়ের বাড়িতে ছিলেন তিনি।

স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মুকুলের বাড়ি থেকে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী জানান, “ভেবেছিলাম কৃষ্ণা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হল না৷ আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।” উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে বিজেপিতে থাকাকালীনও কৃষ্ণা রায়ের খোঁজ খবর নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরার পর অসুস্থ মুকুল-জায়ার জন্য একাধিক উদ্যোগও নিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবু সব চেষ্টা বৃথা প্রমাণ করে আজ ভোরেই চেন্নাইয়ের হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কৃষ্ণা রায়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসে মুকুল রায়ের সঙ্গেই করোনায় আক্রান্ত হন কৃষ্ণাও। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে মন্ত্রী বাড়িতে থাকলেও, কৃষ্ণা রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাঁকে শহরের এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে, ফুসফুসের অবস্থাও খারাপ হয়ে যায়। এরপর চিকিৎসকদের মতামত নিয়ে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য গত ১৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া কৃষ্ণা রায়কে। সেখানেই এতদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু সুস্থ হয়ে আর ফিরলেন না তিনি।

স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
স্ত্রীকে হারিয়ে শোকার্ত মুকুল রায়! সমবেদনা জানাতে বাড়িতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিন, স্ত্রী বিয়োগের খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি মুকুল রায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুজিত বসু। বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীও গিয়েছিলেন বাড়িতে। জানা গিয়েছে, আজ কোনও ফ্লাইট না থাকায় আগামীকাল চেন্নাই থেকে প্রথমে কলকাতায় আনা হবে কৃষ্ণা রায়ের মরদেহ। তারপর সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে কাঁচড়াপাড়ায়। সেখানেই মুকুল-জায়ার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।