মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই সাংসদ পদ নিয়ে মানস ভুঁইয়া নিলেন এই সিদ্ধান্ত

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই সাংসদ পদ নিয়ে মানস ভুঁইয়া নিলেন এই সিদ্ধান্ত
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই সাংসদ পদ নিয়ে মানস ভুঁইয়া নিলেন এই সিদ্ধান্ত

ফের নিজের চেনা পরিসরে ফিরছেন মানস ভুঁইয়া। এবারের নির্বাচনে জিতে ফের একবার বিধায়ক হয়েছেন তিনি। তারপরেই রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এর পরেই তৎপরতা শুরু হয়েছে তার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ দেওয়ার। এদিকে স্বাভাবিকভাবেই নিজের খাসতালুক সবং থেকে জিতে রাজ্যের মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পেয়ে খুশি তিনি।

দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী সভার সঙ্গে কোন সম্পর্ক ছিল না মানস ভুঁইয়ার। ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট শরিক হিসেবে সেচ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপর কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ভেঙে যাওয়ায় মন্ত্রিসভা থেকে সরে আসতে হয় তাকে। তারপরেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে কংগ্রেসের তরফে এই সবং থেকেই জিতেছিলেন মানস বাবু। এরপর একুশের নির্বাচনে ফের একবার সেই কেন্দ্র থেকেই বিধায়ক পদে জয়ী হলেন তিনি।

২০১৯ সালে তৃণমূল তাকে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার জন্য টিকিট দেয়। কিন্তু সেখানে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে হেরে যান মানস বাবু। কিন্তু হাল ছাড়তে নারাজ মুখ্যমন্ত্রীও। এর পরেই তাকে রাজ্যসভার সাংসদ করে পাঠানো হয় দিল্লিতে। সেখানে দীর্ঘ দুই বছর সাংসদের দায়িত্ব সামলে ফের একবার রাজ্যের মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পেলেন তিনি।

রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্ত্রীদের তালিকা দিয়েছিলেন সেখানে নাম ছিল মানস ভুঁইয়ার। সোমবার রাজভবনে জল সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব নিয়ে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইস্তফা দিতে হবে তাকে। সেই মতই তড়িঘড়ি শুরু করেছেন তিনি। খুব শীঘ্রই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।