জোড়াবাগানে নাবালিকার গণধর্ষণকাণ্ডে আরও অনেকের জড়িত থাকার সন্দেহ পরিবারের! সিবিআই তদন্ত চান তাঁরা

জোড়াবাগানে নাবালিকার গণধর্ষণকাণ্ডে আরও অনেকের জড়িত থাকার সন্দেহ পরিবারের! সিবিআই তদন্ত চান তাঁরা
জোড়াবাগানে নাবালিকার গণধর্ষণকাণ্ডে আরও অনেকের জড়িত থাকার সন্দেহ পরিবারের! সিবিআই তদন্ত চান তাঁরা / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ গত সপ্তাহে বছর ৯ এর নাবালিকাকে যৌন নিগ্রহ এবং খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জোড়াবাগান এলাকা।বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিটের একটি বাড়ি থেকে ৯ বছরের ওই বালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। প্রথমে এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাম কুমারকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে যে, অভিযুক্ত রাম কুমার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ওই বহুতলের কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করছিল। এরপর আরও একজনকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়।

এবার জোড়াবাগানে ৯ বছরের নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন ও তাকে খুনের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। পরিবারের বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে দু’জন নয়, আরও কেউ জড়িয়ে আছে। সকলে মিলে তাঁদের মেয়ের উপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে তাকে খুন করেছে। আজই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন ওই নাবালিকার বাবা এবং কাকা। তাঁদের রাজ্যপালের কাছে নিয়ে যান, বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা।

নাবালিকার পরিবার জানিয়েছে, তাঁরা পুলিশের কাজে এবং তাঁদের তৎপরতায় অখুশি নয়। কিন্তু তাঁদের মনে হচ্ছে গোটা ঘটনায় আরও অনেকে জড়িয়ে আছেন। পুলিশ এখনও তাঁদের গ্রেফতার করেনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও পাননি বলে জানান তাঁরা। অন্যদিকে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা দাবি করেছেন যে, তৃণমূলেরও কেউ নিশ্চয়ই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই পুলিশ যথাযথভাবে তদন্ত করছে না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জোড়াবাগানে নাবালিকার উপরে গণ ধর্ষণ হয়েছে। এমনি প্রমাণ মিলেছে তদন্তে। লালাবাজার সূত্রে খবর, এবার এই ঘটনায় ৩৪ নম্বর ধারা যোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় নৃশংসতার প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, ওই নাবালিকাকে গণধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত কেয়ারটেকার রামকুমার ও মার্বেল মিস্ত্রি রণবীর তাঁতি ওরফে রঘুবীর দুজনে মিলে। মদ্যপ অবস্থায় তারা এই জঘন্য অপরাধ করেছে।

প্রথমে তারা ওই আবাসনের ছাদে নাবালিকার উপর প্রথমে যৌন নির্যাতন চালায়। এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। এরপর ওই নাবালিকার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার গলা কেটে খুন করে। তদন্তে এও জানা গিয়েছে যে, ছুরি নিয়ে এসেছিল কেয়ারটেকার রামকুমার। আর নাবালিকার গলায় ছুরি চালিয়েছিল রণবীর ওরফে রঘুবীর।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.