আজ কাঁথিতে মোদীর জনসভা, এই সভাতেই কি মেলবন্ধন ঘটবে দিব্যেন্দু-পদ্ম শিবিরের!

আজ কাঁথিতে মোদীর জনসভা, এই সভাতেই কি মেলবন্ধন ঘটবে দিব্যেন্দু-পদ্ম শিবিরের!
আজ কাঁথিতে মোদীর জনসভা, এই সভাতেই কি মেলবন্ধন ঘটবে দিব্যেন্দু-পদ্ম শিবিরের! / ছবি সৌজন্যে- Facebook @narendramodi and @dibyendu adhikari

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরেই রাজ্যে শুরু প্রথমদফার ভোট। তার আগে পরপর নির্বাচনী প্রচার সারছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মাঝে ২৪ ঘণ্টার বিরতি দিয়ে, আজ আরও একবার বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে আসছেন নরেন্দ্র মোদী।

এবারের গন্তব্য অধিকারী গড় কাঁথি। বুধবার কাঁথির রেলস্টেশনের প্রভূতি মাঠে জনসভা করবেন তিনি। এখানকার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন, কী কী বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করেন, পাশাপাশি মেদিনীপুরে পদ্ম ফোটাতে তাঁর ভাষণ কতোটা কার্যকরী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভায় এদিন থাকার কথা রয়েছে শুভেন্দু এবং শিশির অধিকারী। এর পাশাপাশি নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকেও। কিছুদিন আগেই এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন, এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য। এই সভায় উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আগে মন্তব্য করলেও, এখনও পর্যন্ত তিনি যাবেন কিনা, তা স্পষ্ট করে জানাননি। ফলে আজকের প্রধানমন্ত্রীর সভার দিকে নজর থাকবে গোটা রাজ্যের।

আর যদি আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে, এই সভায় দিব্যেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকেন, তাহলে অধিকারী পরিবারের চার সদস্যের তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। অধিকারী বাড়ির চার সদস্য সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে বহুকাল ধরেই ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ইতিমধ্যে এই চার সদস্যের মধ্যে তিনজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বকি আছেন খালি দিব্যেন্দু অধিকারী। তাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধুই তিনি।

উল্লেখ্য, এর পূর্বে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। কিন্তু তারপর অনেক অসম্ভব সম্ভব হয়েছে। অনেক পরিবর্তন ঘটেছে রাজ্য-রাজনীতিতে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে অধিকারী পরিবারের তিক্ততা চরমে পৌঁছেছে। তাছাড়া দিব্যেন্দু অধিকারীকেও এখন আর কোনও দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা যায় না।

এদিকে বাড়ির বাকি তিন সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর উপস্থিতিতেই বহুবার বাড়িতে বিজেপি নেতাদের আগমন ঘটেছে। এর থেকেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শেষপর্যন্ত হয়তো তিনিও পদ্ম শিবিরেই নাম লেখাবেন। আর সেটা হলে, পাকাপাকিভাবে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটবে চিরতরে।

যদিও দিব্যেন্দু অধিকারী এখনও এই বিষয়ে একটিও মন্তব্য করেননি। তবে, মুখে তিনি কিছু না বললেও জল্পনা তুঙ্গে। তাই অধিকারী পরিবারের এই সদস্যের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে বাংলা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.