ঘোষাল বাড়ির পুজো্র নৃত্যনাট্যে মহিষাসুরের ভূমিকায় দেখা যাবে বিধায়ক প্রবীরকে

ঘোষাল বাড়ির পুজো্র নৃত্যনাট্যে মহিষাসুরের ভূমিকায় দেখা যাবে বিধায়ক প্রবীরকে
ঘোষাল বাড়ির পুজো্র নৃত্যনাট্যে মহিষাসুরের ভূমিকায় দেখা যাবে বিধায়ক প্রবীরকে

৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোন্নগরের ঘোষাল বাড়িতে দুর্গা পুজো হয়ে আসছে। প্রত্যেক বছর পুজোর পাশাপাশি চমক থাকে ঘোষাল বাড়িতে উপস্থাপিত হওয়া নৃত্যনাট্যেও। চলতি বছরে করোনা আবহেও ফিকে হয়নি পুজোর জৌলুস। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই অন্যান্য বছরের মতো নৃত্যনাট্য উপস্থাপন করতে চলেছেন ঘোষাল বাড়ির সদস্যরা। তবে চলতি বছর ফাঁকা থাকবে দর্শক আসন। যদিও নাটকের সরাসরি সম্প্রচার হবে অনলাইনে।

নৃত্যনাট্যে অংশ নিচ্ছেন ঘোষাল পরিবারের সদস্য তথা উত্তরপাড়া বিধায়ক এবং জেলায় দলের মুখপাত্র প্রবীর ঘোষাল নিজেও। নাটকের মঞ্চে অভিনেতা হিসাবেও পূর্ণ নম্বর পেয়ে পাশ করতে দীর্ঘ অধ্যাবসা করেছেন তিনি। শিখেছেন অভিনয় এর প্রত্যেকটি আঙ্গিক।

এদিকে করোনা আবহে যাতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পুজো হয় সেজন্য রাখা হচ্ছে বিশেষ নজর। করোনার জন্য কোনও পঙতি ভোজনের আয়োজন করা হবে না চলতি বছর। শুধুমাত্র মালসায় করে বিতরণ করা হবে পূজার ভোগ।

ঘোষাল বাড়ির পুজো শুরু হয় ১৪৫৪ সালে। সেই সময় দিল্লির সিংহাসনে রাজত্ব করছিলেন সুলতান বহলোল লোদী। সেই থেকেই চলে আসছে এই বাড়ির পুজো। এই মুহূর্তে ঘোষাল পরিবারের প্রবীণতম সদস্য অক্ষয় কুমার ঘোষাল জানান, বর্তমানে পরিবারের সদস্য প্রায় দেড়শ জন। পুজোর সময় প্রায় ২০০ জন ঘোষাল পরিবারের সদস্য উৎসবে মেতে ওঠেন। কিন্তু চলতি বছর করোনার জন্য সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে পুজো হবে।

পাশাপাশি এই পরিবারের সদস্যরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন নিজেরাই। এবারেও নৃত্যনাট্য, গান, নাচ সহ একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন করার মাধ্যমে পরম্পরা বজায় রাখবেন পরিবারের সদস্যরাই।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.