এক ভাঁড় চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা ! কালো জামা ও কালো টুপি পরে কেটলি হাতে বাংলার এই বিধায়ক

এক ভাঁড় চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা ! কালো জামা ও কালো টুপি পরে কেটলি হাতে বাংলার এই বিধায়ক (প্রতীকী ছবি)
এক ভাঁড় চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা ! কালো জামা ও কালো টুপি পরে কেটলি হাতে বাংলার এই বিধায়ক (প্রতীকী ছবি)

পরনে কালো টুপি, কালো পোশাক, চা বিক্রি করছেন বাংলার এই বিধায়ক। সময় রবিবারের বারবেলা, এখানেই শেষ নয়। চা বিক্রেতার দাবি, তাঁর চায়ের প্রত্যেক ভাঁড়ের দাম ১৫ লক্ষ্ টাকা। এবার আসা যাক বিক্রেতার পরিচয়ের কথায়। কামাহাটির বিধায়ক মদন মিত্র(Madan Mitra)। থমকে গেলেন তো? তেমনই দৃশ্য দেখা গেল এদিন যদুবাবুর বাজারে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী থাকাকালীন তিনি বলেছিলেন বাইরে থেকে কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে সবার ব্যাঙ্ক একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু তাঁর গদিতে বসার পরেও কেটে গিয়েছে সাত বছর। কোনও কাজ হয়নি, তাই এই প্রতিবাদ মদন মিত্রের(Madan Mitra)।

কালো জামা ও কালো টুপি পরে কেটলি হাতে মদন মিত্র

তাঁর এই অভিনব প্রতিবাদে তিনি বলেন, এমনিতে চা দিতে গেলে কেউ নেবেন না কিন্তু ১৫ লক্ষ টাকা বললে মানুষ নেবেন। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেন দু লক্ষ মানুষের চাকরী হওয়ার কথা ছিল, সেই আশাও পূরণ হয়নি। নিত্য দিন বেড়েই চলেছে রান্নার গ্যাস, পেট্রোল ও ডিসেলের মতো জ্বালানির দাম, আর তাতেই নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের।

প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি নিয়েও বলতে ছাড়েননি মদন বাবু। তিনি বলেন নির্বাচনে লড়ার সময় তিনি নিজেকে চা বিক্রেতা বলে দাবি করেন। কিন্তু তাঁর দেওয়া কোনও আশ্বাস পূরণ হয়নি। মদন মিত্রের সঙ্গে রাস্তায় নেমেছিলেন তাঁর অসংখ্য অনুগামী। তাঁরা প্রত্যেকেই মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ। কামারহাটির বিধায়ক বলেন, তাঁর সঙ্গে রাস্তায় নেমেছেন অসংখ্য মোদী, সবাই মিলে আজ মানুষকে চা খাওয়ানো হবে। এর আগেও পেগাসাস কাণ্ড নিয়ে তাঁকে কলকাতার পথে প্রতিবাদে সরব হতে দেখা গেছে।