তবে কি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হতে চলেছে গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকি? কী বলছে সরকার?

তবে কি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হতে চলেছে গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকি? কী বলছে সরকার?
তবে কি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হতে চলেছে গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকি? কী বলছে সরকার? / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ শুধুমাত্র দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি ছাড়া বাকি সকলকে দেওয়া এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তুকি বন্ধ করে দিতে চাইছে সরকার। উল্লেখ্য, বর্তমানে যে ভর্তুকি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তার উপর সমীক্ষা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সমস্ত আর্থিক সিদ্ধান্ত আগামী দিনের কথা বিবেচনা করেই নেওয়া উচিত।

গত এক বছরের তুলনায় এপ্রিল-জুলাই ২০২১-এর এই সময়ের মধ্যে পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্যের উপর দেওয়া সাবসিডি ৯২ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২১-২২ আর্থিক বছরের প্রথম চার মাসে পেট্রোলিয়াম সাবসিডি ১২৩৩ কোটি টাকা হয় যা আর্থিক বছর ২০২০-২১-এর একই সময়ে ১৬৪৬১ কোটি টাকা ছিল৷ সেই সময় দেশের দরিদ্র পরিবারগুলিকে তিনটি এলপিজি সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছিল।

এদিকে, সূত্রের খবর, একটি ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে যে, এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহকদের প্রতি সিলিন্ডারের জন্য ১০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হতে পারে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই সাবসিডি নিয়ে সরকারের তরফে একাধিকবার পর্যালোচনা কড়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট যোজনা তৈরি করা হয়নি। সরকারের কাছে দুটি বিকল্প রয়েছে। সেগুলি হল, বর্তমানে বছরে ১০ লক্ষ টাকা যাদের আয়, নিয়ম অনুযায়ী তাঁরা সাবসিডি পাবেন না এবং উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাভোগীরা ভর্তুকির সুবিধা পাবেন৷ বাকিদের ক্ষেত্রে সাবসিডি তুলে নেওয়া হতে পারে৷ তাছাড়া উজ্জ্বলা যোজনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দারিদ্র সীমার নীচে থাকা ব্যক্তিদের বিনামূল্যে এলপিজি কানেকশন দেওয়ার উদ্দেশ্যেই শুরু করেছিলেন।

এই সাবসিডির উপরে সরকার আর্থিক বছর ২০২১-এ ৩৫৫৯ কোটি টাকা খরচ করেছে, যা ২০২০ সালে ২৪৪৬৮ কোটি টাকা ছিল৷ আসলে এটি একটি ডিবিটি স্কিম যা ২০১৫ সালে শুরু করা হয়েছিল৷ প্রথমে সিলিন্ডার নেওয়ার সময় গ্রাহকদের পুরো টাকা দিয়ে সিলিন্ডার নিতে হয়৷ এরপর সরকারের তরফে ভর্তুকির টাকা গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দিয়ে দেওয়া হয়৷ এখন এটাই দেখার যে, শেষপর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্ত কী হয় এ বিষয়ে।