ক্রমশ নিম্নমুখী রাজ্যে করোনার সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৯৭. ৮৩ শতাংশ

ক্রমশ নিম্নমুখী রাজ্যে করোনার সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৯৭. ৮৩ শতাংশ
ক্রমশ নিম্নমুখী রাজ্যে করোনার সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৯৭. ৮৩ শতাংশ / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ করোনা সংক্রমণের মোকাবিলায় দেশব্যাপী চলছে লকডাউন এবং কড়া বিধিনিষেধ। বাংলাও এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলায় ১৬ মে থেকে জারি রয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। আর এই কড়া বিধিনিষেধের সুফলও মিলছে। প্রতিদিন কমছে দৈনিক সংক্রমণ। আগের থেকে করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

রাজ্যে নিম্নমুখী করোনার সংক্রমণ। কমেছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সেই সঙ্গে বেড়েছে সুস্থতার হারও। যা অবশ্যই আশার আলো দেখাচ্ছে করোনা মোকাবিলায়। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৩৮৪ জন।

প্রতীকী ছবি

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে, রাজ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৬ জন। অনেকদিন পরে এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা হাজারের নিচে নামল। এরপর দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে কলকাতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৭ জন। বহুদিন বাদে কলকাতায় সংক্রমণের সংখ্যা এতো কম হল।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই এই দুই জেলায় সংক্রমণের সংখ্যাটা ছিল দৈনিক ৩ হাজারেরও বেশি। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী। তবে এখনও উদ্বেগে রাখছে রাজ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনস্থল দার্জিলিং। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর জেরে এখন রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪,৪২,৮৩০।

এদিকে একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। যা আগের দিনের থেকে সামান্য হলেও কম। মৃতের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা। এই জেলায় একদিনে করোনা মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬, ৫৫৫। একদিনে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ১০, ৫১২ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার থেকে অনেক বেশি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ১৪, ১১, ৫৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৯৭. ৮৩ শতাংশ।