কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, ভোটের আগে কড়া দাওয়াই নবান্নের

কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, ভোটের আগে কড়া দাওয়াই নবান্নের
কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, ভোটের আগে কড়া দাওয়াই নবান্নের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে যে রাজনৈতিক হিংসার ছবি বাংলার মানুষ দেখেছে তার যেন কোনও ভাবেই পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ভবানীপুরের উপ নির্বাচনের আগে জেলাশাসকদের কার্যত এই নির্দেশ দিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। একইসঙ্গে প্রত্যেকটি জেলাশাসককে সংশ্লিষ্ট জেলার দিকে নজর দিতেও বলেন তিনি। তবে আজকের বৈঠকে আগামীকালের ভোট ছাড়াও ৩০ অক্টোবরের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

রাত পোহালেই ভোট রয়েছে ভবানীপুর, জঙ্গিপুর ও সামশের গঞ্জে। এই কেন্দ্রগুলোতে যাতে কোনও ভাবেই ভোট চলাকালীন বা তার আগে-পরে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেই বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক করল নবান্ন।। এদিনের বৈঠকে মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ পুড়েছে রাজ্যের। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট থেকে শুরু করে তা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তদন্তভার গিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। গঠিত হয়েছে সিট। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য প্রশাসন কোনও ভাবেই চাইছে ভোট হিংসার ঘটনা ফের ঘটুক রাজ্যে। তাই এদিনের বৈঠকে কড়া নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, “আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। আপনাদের অধীনে যে যে এলাকায় নির্বাচন রয়েছে সেই এলাকাগুলির আইন শৃঙ্খলার জন্য পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করুন। কমিশনের নির্দেশ মেনে চলবেন। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যা করার প্রয়োজন হবে, সব করবেন।”

ইতিমধ্যেই প্রচারের শেষ দিনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল ভবানীপুরে। তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল দিলীপ ঘোষ, অর্জুং সিংদের। আশে পাশে কোথাও পুলিশ কর্মী বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, কেউই ছিল না। বাধ্য হয়ে দিলীপ ঘোষের নিরাপত্তারক্ষী বন্দুক উঁচিয়ে ধরেন। তাই সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ডেকে আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।