রূপের ছটায় বলি নায়িকাদের থেকে কোনও অংশে কম নয়! এই সুন্দরী আসলে পেশায় আইপিএস অফিসার

রূপের ছটায় বলি নায়িকাদের থেকে কোনও অংশে কম নয়! এই সুন্দরী আসলে পেশায় আইপিএস অফিসার
রূপের ছটায় বলি নায়িকাদের থেকে কোনও অংশে কম নয়! এই সুন্দরী আসলে পেশায় আইপিএস অফিসার / ছবি সৌজন্যে- Instagram Post by @navjotsimi

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ একই অঙ্গে কতো রূপ! সুন্দরী, বুদ্ধিমতী, অগাধ জ্ঞান। এই প্রতিটি বিশেষণ তাঁর জন্য যথাযথ। সৌন্দর্য, জ্ঞান, বুদ্ধির এক অসাধারণ মিশেল। রূপে-গুনে অদ্বিতীয়া যাকে বলে। এখানেই শেষ নয়, লেখাপড়াতেও মেধাবী। গণিত, ইংরাজি, ভূগোল, ইতিহাস এমনকি দেশের সংবিধান-ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ঈর্ষণীয়ও বটে। অংকের কঠিন সমস্যা সমাধানে তিনি নাকি সিদ্ধহস্ত।

শুধু কি বই, সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি অতি পরিচিত এক মুখ। ইন্সটাগ্রামে তাঁকে দেখে যে কেউ তাঁকে কোনও নায়িকা বলে ভুল করতে পারেন, অথবা কোনও টিকটক তারকা। তবে, তিনি এর কোনওটিই নন। আদতে তিনি পেশাগত জীবনে একজন দক্ষ আইপিএস অফিসার। এই মুহূর্তে তিনি কর্মসূত্রে বিহারে রয়েছেন। এই সুন্দরী, শিক্ষিতা আইপিএস অফিসারের নাম নভজোৎ সিমি। ২০২০ সালে পরীক্ষায় পাশ করে আইপিএস অফিসার হন। তিনি এখন একজন রক্ষকও বটে। তার আগে, পিসিএস (পঞ্জাব সিভিল সার্ভিস) অফিসার হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

নভজোৎ সিমি জন্মসূত্রে পঞ্জাবেরই মেয়ে। পঞ্জাবের এক তফসিলি পরিবারে তাঁর জন্ম। নভজোৎ-এর বাবা ছিলেন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অধিকর্তা। মা গৃহবধূ। এহেন সোনার টুকরো মেয়েকে ছোটবেলায় তফসিলি হওয়ার কারণে প্রতিবেশী, বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছে। তবে, সেসবে খুব একটা কর্ণপাত করেননি তিনি। নভজোৎ ছোট থেকেই সরকারি উচ্চপদে চাকরি করার স্বপ্ন দেখতেন। পঞ্জাবের এক বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন।

তারপর লুধিয়ানার বাবা যশবন্ত সিংহ ডেন্টাল কলেজ থেকে স্নাতক হন। শুরু করেন দাঁতের ডাক্তারি। দাঁতের ডাক্তারি করতে করতেই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল আইপিএস অফিসার হওয়া। টিউশনি নিতে দিল্লিতে আসা শুরু করেন। প্রথম চেষ্টাতেই শিকে ছেঁড়া মুখের কথা নয়। ২০১৬ সালে তিনি প্রথমে পিসিএস অফিসার হন। ডাক্তারি ছেড়ে প্রশাসনিক পদে যোগদান করেন। শুরু হয় নতুন যাত্রা। এরপরে তিনি আইপিএস পরীক্ষায় পাশ করেন। সাড়া দেশের মধ্যে ৭৩৪ র‍্যাঙ্ক করেন। এখন তিনি কর্মসূত্রে পাটনায় রয়েছেন।

সম্প্রতি এই সুন্দরী আইপিএস অফিসার তাঁর প্রেম এবং বিয়ের কারণে চর্চায় উঠে আসেন। ২০১৫ সালে ২০১৫ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার তুষার সিঙ্গলার প্রেমে পড়েন। আইএএস অফিসার তুষার সিঙ্গলার আবার বাংলায় কর্মরত। সম্প্রতি নভজোৎ প্রেমের টানে ৫৬৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে পাটনা থেকে পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়াতে এসে হাজির হয়েছিলেন।

আসলে কাজের চাপে কিছুতেই নভজোৎ এবং তুষার তাঁদের সম্পর্ককে বিয়ের রূপ দিতে পারছিলেন না। তাই অবশেষে উপায় বার করলেন নভজোৎই। তিনি নিজেই প্রেমিক তুষারের অফিসে চলে আসেন বিয়ের জন্য। দু’জনে আইনি বিয়েটা সেরে ফেলেন। যদিও কোনও অনুষ্ঠান করতে পারেননি তাঁরা। যদিও আসন্ন বিধানসভা ভোট মিটলেই তাঁরা ধূমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান করবেন। তাঁর বিয়ের খবরে অবশ্য বহু পুরুষ ব্যথাও পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.