চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! অনুষ্ঠান বাড়ি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিল্লি সরকারের

চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! অনুষ্ঠান বাড়ি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিল্লি সরকারের
চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! অনুষ্ঠান বাড়ি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিল্লি সরকারের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আবারও একবার গত বছরের স্মৃতি ফিরে আসছে। ক্রমশ বাড়ছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। ঝড়ের গতিতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে করোনার সংক্রমণের বাড়বৃদ্ধি নতুন করে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও স্পষ্ট করছে।

এই পরিস্থিতিতে ফের নতুন করে নানা জায়গায় নির্দেশিকা জারি হচ্ছে। দিল্লি সরকারও এই পরিস্থিতিতে ফের নানা জায়গায় নতুন করে সব গাইডলাইন লাগু করছে। দিল্লি সরকারও এবার এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আবারও একবার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের সংখ্যাতে পরিবর্তন আনতে চলেছে দিল্লির সরকার। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে কোনও অনুষ্ঠান বাড়িতে যে পরিমাণ মানুষ ধরেন, তার ৫০ শতাংশ নিমন্ত্রণ করা যাবে। আর সেই সংখ্যাও এখন ১০০-র বেশি করা যাবে না। তবে, এক্ষেত্রে এও বলা হয়েছে যে, যদি খোলা জায়গায় অনুষ্ঠান করা হয়, তাহলে ২০০ মধ্যে নিমন্ত্রিতের সংখ্যা রাখা যাবে।

দিল্লির সরকারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি কোনভাবেই মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না। এর পাশাপাশি সমস্ত অনুষ্ঠানে করোনার বাকি নিয়মবিধি আবিশ্যিকভাবে মেনে চলতে হবে।

কেজরিওয়াল সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে যিনি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন আর যারা আসছেন তাঁদের সকলকেই করোনা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মানতে হবে। থার্মাল স্ক্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক পরাও বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ববিধি এবং স্যানেটাইজেশনের নিয়মও মানতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে৷

দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এ মুহূর্তে সরকার লকডাউনের রাস্তায় হাঁটতে চাইছে না। দিল্লি সরকারের মতে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন লকডাউন না করার সঙ্কেত দিয়েছিলেন৷ তাঁর মতে করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন সমস্যার সমাধান নয়।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘লকডাউনের কোনও সম্ভবনা নেই৷ লকডাউন করে দেখা হয়েছিল, ওটার পিছনে একটা যুক্তি ছিল৷ তখন ধারণা ছিল না, এই ভাইরাস কী করে ছড়িয়ে পড়ে৷ তখন বলা হয়েছিল সংক্রমিত হওয়া থেকে সেরে ওঠার মধ্যে ভাইরাসের ১৪ দিনের সাইকেল থাকে৷ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, যদি ২১ দিন লকডাউন করা যায়, তাহলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া আটকানো যাবে৷ তারপর ধীরে ধীরে লকডাউন বাড়ানো হতে থাকে৷ তবুও করোনা শেষ হয়নি৷ তাই আমার মনে হয় লকডাউন এর একমাত্র সমাধান নয়৷ ’

দিল্লিতে ক্রমশ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ ২৭ মার্চ দিল্লি সরকারের জারি করা রিপোর্ট অনুসারে, দিল্লিতে লাগাতার তৃতীয় দিনে ১৫০০ বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে৷ পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ একদিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৷

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.