বেসুরোদের নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়! জল্পনা ওড়াল বিজেপির

বেসুরোদের নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়! জল্পনা ওড়াল বিজেপির
বেসুরোদের নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ নয়! জল্পনা ওড়াল বিজেপির

দলের বেসুরা বিধায়কদের নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির। তাই এই সকল বিধায়কদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জল্পনা উঠেছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে দল এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেই এদিন সাফ জানাল।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের পরেই পদত্যাগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা একে একে বেসুরো হতে শুরু করেছিলেন। নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে। মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। সেখানে তিনি লেখেন, তাঁকে পদত্যাগ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের দিন যুব মোর্চার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কাঠগড়ায় তুলেছেন দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপরই বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে যুব মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অমৃতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, ‘রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্তের মতো নেতারা দলবিরোধী মন্তব্য করলেও কেন তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে না দল?’

তারপর থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল সোশ্যাল মিডিয়া মুখ খোলা নিয়ে এই তিন নেতা-নেত্রীকে শোকজ করতে পারে গেরুয়া শিবির। শনিবার খবর মেলে, তিন নেতাকে শো কজ করতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।তবে সেই জল্পনায় জল ঢালল বিজেপি। বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই খবর অস্বীকার করা হয়।

প্রসঙ্গত, আগামীকাল দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই বৈঠকে রাজ্যের বেসুরো নেতাদের নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেই সূত্রের খবর। পাশাপাশি ওই বৈঠকে সাংগঠনিক রদবদল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।