‘এক ব্যক্তি এক পদ নীতি’ মেনে শীঘ্রই রদবদল হতে পারে তৃণমূলে

'এক ব্যক্তি এক পদ নীতি' মেনে শীঘ্রই রদবদল হতে পারে তৃণমূলে
'এক ব্যক্তি এক পদ নীতি' মেনে শীঘ্রই রদবদল হতে পারে তৃণমূলে

তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মসনদ দখল করেই এক ব্যক্তি এক পদ নীতি নিয়েছে তৃণমূল। এবার সেই মতই তৃণমূলের আট জেলায় বদল হতে পারে জেলা সভাপতিদের নাম। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে আসতে পারেন নতুন সভাপতি। যদিও এই মুহূর্তে দলের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে এই কথা ঘোষণা করা হয়নি তবে অন্দরের জল্পনা এমনটাই।

একুশের পর এবার লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। তাই এবার দেশের মসনদ দখল এর আগে নিজেদের সমস্ত রকম আটঘাট বেঁধে নিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। এক ব্যক্তি একপদ নীতি নিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এর ফলে একজন ব্যক্তির একটিই দায়িত্ব থাকায় তার কাজের চাপ কম থাকবে এবং যে দায়িত্ব ওই ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে তা তিনি যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি এই থিওরিতে চললে দলের সাংগঠনিক দিক আরও মজবুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সৌমেন মহাপাত্র, স্বপন দেবনাথ, অরূপ রায় এবং পুলক রায় এই সমস্ত মন্ত্রীরা মন্ত্রিত্বের পাশাপাশি জেলা সভাপতির পদ সামলেছেন এতদিন। কিন্তু দলের এক ব্যক্তি একপদ নীতি প্রযোজ্য হতেই এদের প্রত্যেকেই ইস্তফা দিতে হবে জেলা সভাপতি পদ থেকে। মূলত দলের সকলের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে শুধু একপদ এক ব্যক্তি নীতি প্রয়োগ করেই যে কেবল জেলা সভাপতিদের বদল হবে তা নয়। দলীয় সূত্রে খবর, অনেক জেলা সভাপতির এতদিনের পারফর্মেন্সের ওপরেও তাদের টিকে থাকা নির্ভর করছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে ও বেশকিছু জেলায় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।