টেটে অনিয়ম হয়েছে বলে শুনিনিঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

টেটে অনিয়ম হয়েছে বলে শুনিনিঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়
Image Source: Screengrab from Facebook Video Posted By @ParthaCofficial

‘টেটে অনিয়ম হয়েছে বলে শুনিনি।’ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কলকাতা হাইকোর্ট যে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে সেই প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মেধাতালিকাতে অনিয়ম সহ নিয়োগপ্রক্রিয়ায় গরমিলের অভিযোগ তুলে কলকাতা ইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। সেই মামলার রায় এদিন ঘোষণা করা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই মন্তব্য করেন পার্থ বাবু।

সোমবার শুনানিতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। তবে আইনবহির্ভূত কিছু হয়েছে বলে মনে করেন না শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘টেটে অনিয়ম হয়েছে বলে শুনিনি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বলেছি কোর্টকে ভালো করে বোঝান। তারা মনে করলে উচ্চ আদালতেও যেতে পারে। আমরা দ্রুত নিয়োগ শেষ করতে চাই। ‘নিয়োগ আটকে যাওয়া মানে যাঁরা তালিকাভূক্ত আছেন, তাঁদের বয়স ফুরিয়ে যাবে। ফলে যোগ্যতামান হারাবেন। তা আমরা কখনই চাই না।’’

এ দিন চাকরির দাবিতে বেশ কিছু এসএসসি প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান।এই বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নাকতলার ওই অঞ্চল। তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে বিক্ষোভকারীদের রীতিমতো বলপ্রয়োগ করে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসা থেকে হাতাহাতিও হয়। তাতেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন এভাবে দমন করায় ফের সমালোচনার মুখে পড়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ চাকরির দাবি তুলে নাকতলায় শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে জমায়েত হন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সক্রিয় হয়ে ওঠে। এঁরা সকলেই যুব ছাত্র অধিকার ঐক্য যৌথ মঞ্চের সদস্য। ২০১৬ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর এখনও তাঁরা চাকরির নিয়োগপত্র পাননি বলেই তাঁরা দাবি করেছেন। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ্যতা প্রমাণের পরও নিয়োগ হয়নি ২৫০০ হাজার প্রার্থীর, এমনই দাবি বিক্ষোভকারীদের। তাই দ্রুত নিয়োগের দাবিতেই তাঁরা এদিন শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিলেন। প্রায় ৫০ জনকে রীতিমতো টেনেহিঁচড়ে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।