এই সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, দেখে নিন বাংলা থেকে কারা থাকতে পারেন মোদী-মন্ত্রিসভায়!

এই সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, দেখে নিন বাংলা থেকে কারা থাকতে পারেন মোদী-মন্ত্রিসভায়!
এই সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, দেখে নিন বাংলা থেকে কারা থাকতে পারেন মোদী-মন্ত্রিসভায়!

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ এই সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটতে চলেছে। জানা গিয়েছে, আগামী ৭ জুলাই মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা গিয়েছে, ১৭ থেকে ২২ জন মন্ত্রী মোদীর মন্ত্রিসভার জন্য শপথ নিতে পারেন।

আগামী দিনে, যেসব রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, সেই সব জায়গার কথা বিবেচনা করেই, এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দেখে নিন, কোন রাজ্য থেকে কতজন মন্ত্রী মোদীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন।

উত্তরপ্রদেশ, যোগী রাজ্য থেকে তিন থেকে চারজন মোদী মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। থাকতে পারেন আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেল। বিহার থেকে দুই থেকে তিনজন মন্ত্রী হতে পারেন। এর মধ্যে বিজেপি থেকে সুশীল মোদী, জেডিইউ থেকে আরসিপি সিং আর এলজেপি পশুপতি পরশ। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশ থেকে মোদীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন এক-দুই জন মন্ত্রী। এদের মধ্যে রয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং রাকেশ সিং। মহারাষ্ট্র থেকে এক থেকে দুইজনকে মন্ত্রী করা হতে পারে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণ রানে, হিনা গাভিত এবং রণজিৎ নায়েক নিম্বলকর। রাসজস্থান থেকে একজন মন্ত্রী, জম্মু ও কাশ্মীর থেকেও একজন মন্ত্রী হতে পারেন। লাদাখ থেকেও একজন। এদিকে, উত্তরপূর্বের এই রাজ্য থেকে এক বা দুইজন মন্ত্রী সুযোগ পেতে পারেন মোদীর মন্ত্রিসভায়। বাংলা থেকে থাকতে পারেন দুজন। তাঁরা হলেন, শান্তনু ঠাকুর এবং নিশীথ প্রামাণিক। এছাড়াও ওড়িশা থেকে থাকতে পারেন একজন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবার বিজেপির শরিক দলগুলিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন। জানা গিয়েছে যে, জেডিইউ, এলজেপি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেসের একাধিক ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি মোদী মন্ত্রিসভার এমন ৯ জন সদস্য আছেন, যারা তাঁদের অতিরিক্ত দায়িত্ব ছাড়তে পারেন, তাঁরা হলেন- প্রকাশ জাভড়েকর, পীযূষ গয়াল, ধর্মেন্দ্র প্রধান, নীতিন গড়করি, হর্ষবর্ধন, নরেন্দ্র সিংহ তোমর, রবিশঙ্কর প্রসাদ, স্মৃতি ইরানি, হরদীপ সিং পুরী।

তাছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৮১ জন হতে পারে। এই মুহূর্তে ৫৩ জন সদস্য রয়েছেন। সেইসঙ্গে আরও ২৮ জনকে যুক্ত করা হতে পারে। এই নয়া পরিবর্তনে বা সম্প্রসারণের জেরে সরকারি বিভিন্ন পরিষেবায় আরও গতি আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।