খেলা শুরু হয়েছে তাই ভয় পেয়েছে! তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বাধা প্রসঙ্গে কটাক্ষ ডেরেকের

খেলা শুরু হয়েছে তাই ভয় পেয়েছে! তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বাধা প্রসঙ্গে কটাক্ষ ডেরেকের
খেলা শুরু হয়েছে তাই ভয় পেয়েছে! তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বাধা প্রসঙ্গে কটাক্ষ ডেরেকের

আইপ্যাকের ২৩ জন কর্মীকে ত্রিপুরায় আটকে রাখার প্রতিবাদে দফায় দফায় সেই রাজ্যে গিয়েছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পৌঁছেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien) এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তাদের বৈঠক করতে গেলে ত্রিপুরার পুলিশের থেকে অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়ে দিলো সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এমনকি অনুমতি না দিলে কোন ভাবেই মিটিং করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরা প্রশাসনের তরফে।

বুধবার দলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগদান করতে ত্রিপুরা পৌঁছেছেন ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরে যেদিন সেখানে পৌঁছান ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আগামীকাল ত্রিপুরায় যাওয়ার কথা রয়েছে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর। কিন্তু তার আগেই এদিন সাংগঠনিক বৈঠকের অনুমতি নিয়ে ফের শুরু হয় বিতর্ক।

জানা গিয়েছে, এদিন ৫০ জন সদস্যকে নিয়েই ত্রিপুরার মার্স নামক একটি হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক চলছিল তৃণমূলের। উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ব্রাত্য বসু, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটক। সেখানেই হঠাৎ করে ত্রিপুরার থানার পুলিশ এসে জানায় অনুমতি না নিয়ে কোনভাবেই বৈঠক করা যাবে না। সাংগঠনিক বৈঠক করতে গেলে জেলাশাসকের অনুমতি বাধ্যতামূলকভাবে নিতেই হবে। স্থানীয় থানার সঙ্গে কথা বলেও কোন লাভ হয়নি বলেই জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

এদিকে এই পুরো বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তার কথায়, “খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে তাই ভয় পেয়েছে ওরা।” লোকসভা নির্বাচনের আগেই বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে ত্রিপুরায় তাই এখন থেকেই সেখানে ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে তৃণমূল। বাংলার পর ত্রিপুরাতে বিপর্যয় আটকাতেই তাই এবার কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে বিজেপির ওপর চাপ বাড়াতে এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।