সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২

হাঁটতে হাঁটতে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলেই পারতেন! শুভেন্দুকে তীব্র কটাক্ষ কুণালের

মৌসুমী বসাক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২, ১০:০৭ পিএম | আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২২, ০৪:৩৭ পিএম

হাঁটতে হাঁটতে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলেই পারতেন! শুভেন্দুকে তীব্র কটাক্ষ কুণালের
হাঁটতে হাঁটতে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলেই পারতেন! শুভেন্দুকে তীব্র কটাক্ষ কুণালের

রেড রোডে কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে টিপ্পনি কেটেছেন তিনি। তবে পাল্টা জবাব দিয়ে রাজনৈতিক তরজা বজায় রেখেছে তৃণমূলও। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

 

এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আমন্ত্রণ না পাওয়ার বিষয়ে অবশ্য নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজিত হওয়ার কারণকেই তুলে ধরেছেন। জানিয়েছেন, "নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কাছে হেরেছেন। সেই যন্ত্রণা থেকে আমাকে ডাকতে দেননি। তাঁর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হল না। হিংসার কোনও ওষুধ নেই। ওনার চিরকাল মনে থাকবে আমার কাছে উনি হেরেছিলেন।"

 

এদিকে এই প্রসঙ্গে পাল্টা কটাক্ষ ছুঁড়ে জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর টিপ্পনী, "এক বিশ্বাসঘাতকের মানসিক অবসাদগ্রস্ত আর্তনাদ। যিনি এই কথা বলছেন তার পরিবারের বাবা, দাদা,ভাই সকলে দীর্ঘদিন নানান পদে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দয়ায়। পরবর্তীকালে ইডি এবং সিবিআই এর হাত থেকে বাঁচতে তিনি বিজেপির জুতো পালিশ করতে গিয়েছেন। ওর যদি এতই দেখার শখ হত তাহলে হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে একটা চেয়ারে বসে গেলেই পারতেন এতে ডাকার কি আছে"?

 

করোনা আবহে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান সাদামাটাভাবে পালিত হয় সেখানে সীমিত কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল রাজ্য। যদিও সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে নাম নেই শুভেন্দু অধিকারীর। এই গোটা বিষয়টাই তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি।