পুজোর আগেই এক লাফে বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাস-সিলিন্ডারের দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

পুজোর আগেই এক লাফে বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাস-সিলিন্ডারের দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের / প্রতীকী ছবি
পুজোর আগেই এক লাফে বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাস-সিলিন্ডারের দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের / প্রতীকী ছবি

আর মাত্র দশ দিন। তারপরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। তবে পুজোর আগেই এক লাফে ৩৫ টাকা বেড়ে গেল বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম এবার বেড়ে হচ্ছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। ১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি ও ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। এছাড়াও ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। সিলিন্ডার রিফিলের ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৫২০ টাকা। আজ, ১ অক্টোবর থেকেই শহরে এই দাম কার্যকর হবে।

পুজোর আগেই এক লাফে বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাস-সিলিন্ডারের দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের / প্রতীকী ছবি
পুজোর আগেই এক লাফে বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাস-সিলিন্ডারের দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের / প্রতীকী ছবি

পুজোর আগে জ্বালানির এহেন মূল্যবৃদ্ধির জেরে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের। এমনিতেই উৎসবের মরশুমে বাড়ির বাইরে খাওয়া দাওয়া করে থাকেন আমজনতা। তাই পুজোর সময় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের চাহিদাও বাড়ে। এই অবস্থায় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধির এর ফলে রেস্তোরাঁয় খাওয়া দাওয়া খরচও বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষও খুব একটা স্বস্তিতে নেই।

সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেট্রোলিয়াম কোম্পানিগুলি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪৩ টাকা বৃদ্ধি করেছে। রাজধানীতে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১৭৩৬ টাকা ৫০ পয়সা। পয়লা সেপ্টেম্বর বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়েছিল ৭৫ টাকা। তবে এলপিজি রান্নার গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এই প্রসঙ্গে এলপিজি গ্যাস উৎপাদনকারী সংগঠনগুলির দাবী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়াতেই জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি।

অন্যদিকে, গ্যাস সিলিন্ডারের পাশাপাশি রেকর্ড বৃদ্ধি পেল পেট্রোল-ডিজেলের দামও। কলকাতায় বৃহস্পতিবার পেট্রোলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ১০২ টাকা ৪৭ পয়সা। শুক্রবার ডিজেলের দাম বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.২৭ টাকায়। সামনেই পুজো, আর এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উপরেও সেই প্রভাব পড়ছে। ফলে আমজনতার চিন্তাও বাড়ল।