লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের

লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের
লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের

করোনা সংক্রমনে রাশ টানতে কার্যত লকডাউনের পথেই হেঁটেছে রাজ্য। এই লকডাউন চলবে আগামী রবিবার থেকে ৩০ মে পর্যন্ত। সরকারি দপ্তরগুলির পাশাপাশি বেসরকারি দপ্তরগুলিও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু। রাজ্যে লোকাল ট্রেনের পরিষেবা কিছুদিন আগে থেকেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তার সঙ্গে এবার বাস, মেট্রো এবং ফেরি পরিষেবাও সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজই একথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তারপরই রাজ্য জুড়ে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরার নানা চিত্র!

লকডাউন ঘোষণা হতেই বাড়ল ঘরে ফেরার তাড়া! আগেই আংশিক লকডাউনে বন্ধ হয়েছিল ট্রেন। ভাটা পড়েছিল সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার ওপরেও। রাস্তায় বাস বা অন্যান্য গণপরিবহনও চলছিল হাতেগোনা। আজ নতুন করে লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেল সমস্ত গণপরিবহনই। আগামী কাল থেকে চালু হবে সেই নির্দেশ। তাই আজকের মধ্যেই ফিরতে হবে বাড়ি। ফলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন রাজ্যের মানুষ।

লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের
লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের

এদিকে ঘরে ফেরার ভিড়ে বাসের সংখ্যা নেহাতই খুব কম। কিন্তু উপায় আর কী! কোভিড বিধিকে শিঁকেয় তুলেই একে অপরের গা ঘেঁষাঘেঁষি করেই উঠতে হচ্ছে গণপরিবহনগুলিতে। কপাল গুনে বাস মিললে ভীড়ে দাঁড়িয়েই ফিরতে হচ্ছে সাধারণ প্যাসেঞ্জারদের। বাস না পেলে অটো বা ছোট চারচাকায় জমছে ভীড়। অনেকে পণ্যবাহী গাড়িতে চেপেই ফেরার চেষ্টা করছেন বাড়িতে। তবে নতুন করে কোথাও যাওয়ার কথা ভাবছেন না কেউই।

লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের
লকডাউন ঘোষণা হতেই ঘরে ফেরার তাড়া! স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই বাসের ছাদে, পণ্যবাহী গাড়িতে ভীড় মানুষের

এদিকে এই সুযোগে শুরু হয়েছে টিকিটের কালোবাজারিও। দূরপাল্লার বাসের টিকিটের দাম হাঁকা হচ্ছে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। তাও আবার বাসের সিটে নয়, ছাদে পাওয়া যাবে জায়গা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই আজ দেখা গিয়েছে এই চিত্র! লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর ব্যস্ত হয়ে যেকোনও ভাবেই বাড়ি ফিরতে চাইছেন সাধারণ মানুষ।