অর্থাভাবে একদিন সাইকেল কিনতে পারেনি, তার স্টান্ট এখন ভারত ছাড়িয়ে বিদেশেও

বংনিউজ ডিজিটাল ডেস্কঃ দু চাকা বিশিষ্ট বাইসাইকেল প্রত্যেক মানুষের কাছে খুব কাজের। নব্বইয়ের দশকে এর মাধ্যমে সমস্ত চিঠি পৌঁছাত, তবে এখনও প্রতিদিন সকাল বেলায় খবর কাগজ বাড়ির গেটের মুখে পৌঁছে যায় এ বাইসাইকেলের মাধ্যমে। তবে আজ আমরা এক বাইসাইকেল খিলাড়িকে নিয়ে এক চমকপ্রদ ঘটনা তুলে ধরব আসুন জেনে নিন।

মুম্বাইয়ের এক যুবক নাম প্রবিন হাবিব, এই প্রবীণ হাবিব ছোটো বয়সেই টিভি তে BMX চ্যাম্পিয়ানশিপ টেলিকাস্ট দেখে মনে মনে ঠিক করে নেয় সে বড় হয়ে BMX খেলোয়াড় হবে। কিন্তু কিভাবে করবে সেই সম্পর্কে কোনো ধারনা ছিল না প্রবীণের। তবে প্রথম প্রথম মোবাইলে ভিডিও দেখে দেখে কৌশল আয়ত্ত করে। তবে এই ভাবে স্বপ্ন বাস্তবে পুরন করা সম্ভব না। তাই প্রবীণ Worli Seaface-এ রাইডারদের দেখার জন্য রাতেই সেখানে পৌঁছে যায়। এবং সেখানে গিয়ে রাইডারদের BMX চালানোর আদব কায়দা দেখে যথারীতি অবাক হয়, এবং মনে মনে ঠিক করে নেয় BMX রাইডার যে কোনো উপায়ে হতেই হবে। তবে সেদিন রাইডাররা সাইকেল চালাতে দেওয়া তো দুরের কথা ছুতে পর্যন্ত দেয়নি। কিন্তু অদম্য জেদ প্রবীণ কে দমিয়ে রাখতে পারেনি।

প্রবীণের পারিবারিক অবস্থা সচ্ছল না থাকায় সাইকেল কেনার জন্য পার্ট টাইম কাজ করে সাইকেল কেনে। এবং ভিডিও দেখে দেখে শুরু করে। তবে জেনে রাখা ভালো এই BMX বাইসাইকেল রাইডিং শুরু হয়ে ছিল আমেরিকাতে ১৯৭০ সালে। BMX-এ নানা ধরনের রাইডিং স্টাইল দেখা যায়, তবে প্রবীণ যে ধরনের স্টাইল করে সেগুলি হল Flatland, Ladiyhard, Switch Spin, Mega Spin, Cyclone Stant, এই প্রবীণ ২০১৬ সালে প্রথম ভারতীয় যে সাউথ কোরিয়াতে ইন্টার ন্যাশান্যাল BMX চ্যাম্পিয়ানশিপে ভারত কে উপস্থাপিত করেছিল। তবে এই প্রবীণ কে দেখে যুব সমাজের অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছে, এই প্রবীণকে এখন ভারতীয় BMX বাদশা বলা চলে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.