কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও মণ্ডপ থাকুক দর্শকশুন্য, ফের জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

কালীপুজোয় সব রকম বাজি বিক্রি ও ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের
কালীপুজোয় সব রকম বাজি বিক্রি ও ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ দুর্গা পূজোর মতই কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছট পুজোতেও মণ্ডপগুলোকে নো এন্ট্রি জোন করার দাবিতে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন অজয় কুমার দে। প্রসঙ্গত এই ব্যক্তিই বারোয়ারি দুর্গাপুজো বন্ধ করার জন্য হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন।

দুর্গা পূজোর পরে কি কালী পুজোতেও বহাল থাকবে হাইকোর্টের নো এন্ট্রি জোন নিয়ম? আপাতত এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা শহর ও শহরতলিতেও কালীপুজো উপলক্ষ্যে ভিড় হয়। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, নৈহাটিতে কালীপুজো খুবই জনপ্রিয়। আশপাশের জেলা থেকেও দর্শনার্থীদের ঢল নামে ওই এলাকার মণ্ডপগুলিতে। সেই সব কিছুই আবারও ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। কালীপুজোর ভিড় ঠেকাতেও কী হাইকোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হবে ? সেই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এর মধ্যেই দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

করোনা আবহে দুর্গাপুজোর মতোই কালী পুজো মণ্ডপ গুলিতে নো এন্ট্রি জোন করা হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। দুর্গাপূজাতে প্রতিটি মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ঢোকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল হাইকোর্ট। সেই মতো ব্যবস্থা নিয়েছিলো পুজো কমিটি গুলি।

এরপর দুর্গাপুজোর মতোই কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপ গুলিতে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য অনুরোধ জানিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করলেন ওই একই ব্যক্তি। এই নিয়ে হাইকোর্টে কোন নির্দেশিকা দেয়নি। দূর্গা পূজার নিয়ম বলবৎ করেই কালীপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর মন্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা জারি করে কিনা সেটাই এখন দেখার।

এদিকে, হাইকোর্টের দুর্গাপুজোর নিষেধাজ্ঞা অনুসারে কালীপুজোর নিয়মবিধিও প্রকাশ করার দরকার রয়েছে বলে মত অনেকেরই। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ দেবকিশোর গুপ্ত জানান, ‘দুর্গাপুজোয় প্রশাসনের ভূমিকা ভাল ছিল। সর্বোপরি কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে খুব সুবিধা হয়েছে। সেই ব্যবস্থাপনারই পুনরায় প্রয়োগ দরকার।’ তবে প্রশাসনিক আধিকারিকদের মতে, ‘প্রশাসন যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। সচেতন থাকতে হবে মানুষকেও।’

অন্যদিকে, কালীপুজোর আগে বিভিন্ন জায়গায় বাজির বাজার বসে। প্রবল ভিড় হয় সেই জায়গাগুলিতেও। সেই বিষয়টির দিকেও নজর রেখেই ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.