ইস্তফা প্রত্যাহার করেই সিধু কাজে মন দিলেন, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সোনিয়াকে পাঠালেন চিঠি

ইস্তফা প্রত্যাহার করেই সিধু কাজে মন দিলেন, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সোনিয়াকে পাঠালেন চিঠি
ইস্তফা প্রত্যাহার করেই সিধু কাজে মন দিলেন, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সোনিয়াকে পাঠালেন চিঠি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ কিছুদিন আগেই পাঞ্জাবের প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নভজ্যোৎ সিং সিধু। এরপর কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন সিধু। এই বৈঠকের পরেই তিনি জানিয়ে দেন যে, সব সমস্যা দূর হয়েছে। সব ঠিক হয়ে গেছে। এরপরই তিনি নিজের ইস্তফা প্রত্যাহার করে নেন।

ফের পাঞ্জাবের কংগ্রেসের প্রধান পদে ফিরেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরিকল্পনা ঠিক করতে ব্যস্ত সিধু। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে এবার কংগ্রেস নেত্রী তথা সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিলেন সিধু। সোনিয়া গান্ধীকে চিঠিতে পাঞ্জাবের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে বসার আবেদন জানান তিনি।

নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে চরণজিৎ সিংহ চন্নির সরকারের কোন কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে এমন ১৩টি ক্ষেত্র উল্লেখ করেছেন চিঠিতে সিধু, এমনটাই জানা গিয়েছে। কংগ্রেস নেত্রীকে পাঠানো সেই চিঠি সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন সিধু। পাঞ্জাবে মাদক সমস্যা, বালি উত্তোলন, কাজের সুযোগ, পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠী ও জনজাতির উশ্যা-সহ একাধিক বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে সেখানে। এই ১৩টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই আসন্ন নির্বাচনের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে চান পাঞ্জাব কংগ্রেস প্রধান, তাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই পাঞ্জাব কংগ্রেসে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নভজ্যোত সিং সিধুর সঙ্গে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং-র দ্বন্দ্ব যেন থেমেও যেন শেষ হত না। নভজ্যোৎ সিং সিধুর সঙ্গে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং দ্বন্দ্বের জেরে বারবার সমস্যায় পড়তে হয়েছে হাইকমান্ডকেও। সিধু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ পাওয়ার পরই, তাঁর ঘনিষ্ঠ বিধায়করা যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অমরিন্দর সিংকে সরানোর দাবি করেন, তার জেরে অপমানিত হয়েই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন অমরিন্দর সিং।

রাজ্যের ডিজিপি ও অ্যাডভোকেট জেনারেল নিয়োগ-সহ একাধিক ইস্যুতে অসন্তোষের জেরে পাঞ্জাব কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সিধু। তাঁর পদত্যাগের পর পরই, এক জন মন্ত্রী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাও পদত্যাগ করেন বলে শোনা গিয়েছিল। যদিও এরপরই শুক্রবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন পাঞ্জাব কংগ্রেস প্রধান। বৈঠক শেষে সিধু জানিয়ে দেন যে, ‘রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আমার সমস্ত চিন্তার কারণ ভাগ করে নিয়েছি। সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে।’ এরপরই তিনি নিজের ইস্তফা প্রত্যাহার করে নেন।