লোকসভার তথ্যে স্বামীর জায়গায় নাম নিখিলেরই! নুসরতের অবৈধ বিয়ের দাবি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

লোকসভার তথ্যে স্বামীর জায়গায় নাম নিখিলেরই! নুসরতের অবৈধ বিয়ের দাবি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
লোকসভার তথ্যে স্বামীর জায়গায় নাম নিখিলেরই! নুসরতের অবৈধ বিয়ের দাবি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

তুরস্কের বিবাহ নিয়মানুযায়ী তাদের এই বিবাহ অবৈধ। তাই বিবাহ বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না। তারকা সাংসদ নুসরাত জাহানের এই মন্তব্যে আপাতত সরগরম বিভিন্ন মহল। এর মধ্যেই নুসরাত জাহানের স্বামী নিখিল জৈন অবশ্য জানিয়েছেন অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি নুসরাতের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা একসঙ্গে স্বামী স্ত্রীর মতোই থাকতেন। এই দিকে এই বাদানুবাদের মধ্যেই দেখা গিয়েছে লোকসভায় নিজের সম্বন্ধে যে নথি নুসরাত জাহান জমা দিয়েছেন সেখানে নিজেকে বিবাহিত বলে পরিচয় দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি স্বামীর নামের জায়গায় লেখা রয়েছে নিখিলের নাম।

লোকসভায় প্রত্যেক সাংসদকে নিজের নাম পরিচয়ের পাশাপাশি পারিবারিক পরিচয় দিতে হয়। এখানে বিবাহিত হলে স্বামীর নাম দেওয়া বাধ্যতামূলক। সাংসদ নুসরাতের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, তিনি নিজের সম্পর্কে লোকসভার যে তথ্য দিয়েছেন সেখানে তিনি নিজেকে বিবাহিত বলে উল্লেখ করেছেন। স্বামীর নামের জায়গায় লিখেছেন নিখিল জৈনের নাম। এমনকি নিজের নামের সঙ্গে নিখিলের পদবী যোগ করে নিজের সম্পূর্ণ নাম লিখেছেন নুসরত জাহান রুহি জৈন। এখন প্রশ্ন উঠেছে তিনি যদি তাদের বিয়েকে বৈধ বলেই না মানেন তাহলে সেই সময় কেন এই তথ্য দিয়েছিলেন?

নুসরত অন্তঃসত্ত্বা এই খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই গুচ্ছ-গুচ্ছ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাকে।সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে দানা বেঁধেছে দর্শকমহলে।আর এদিন যখন তিনি জানান,নিখিলের সাথে বিয়ে নয়,লিভ-ইন করেছেন তখন তোলপাড় পড়ে যায় গোটা নেটদুনিয়ায়।

নুসরতের বিবৃতি অনুযায়ী,তাদের বিয়ে হয় তুরস্কে।তবে তুরস্কের বিবাহ নিয়মানুযায়ী এই বিবাহ অবৈধ।আর তাই যে বিবাহ অবৈধ তার কোনো বিচ্ছেদের প্রয়োজন হয়না বলেও জানিয়েছেন স্বয়ং অভিনেত্রী নিজেই।

এদিন নুসরতের এই বক্তব্যের মাধ্যমেই তিনি সকলের কাছে ধারণা স্পষ্ট করে দিলেন। বেশ কয়েকদিন আগে তসলিমা নাসরিন একটি পোস্টের মাধ্যমে জানান,অচল কোনো সম্পর্ক বাঁদুড়ের মতো ঝুলিয়ে রাখার কোনো মানেই হয় না।আর তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নুসরত আর নিখিলের ডিভোর্স হয়ে যাওয়াই ভালো।

তবে নুসরত চুপচাপই থাকতে চেয়েছেন।এর আগেও তাকে নিয়ে বহু সমালোচনা হয়েছে আর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই নীরবতা পালনের মাধ্যমে নুসরত সেই ঘটনাগুলো এড়িয়ে গেছেন।আর এবারে ও তার অন্যথা হবেনা এমনটাই মত নুসরতের।

তবে নুসরাতের এই বিবৃতি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুখ খুলেছেন তার স্বামীর নিখিলও। অবশ্য জানিয়েছেন, “আমি যেরকম পরিবারের ছেলে সেখানে আমার কাছে বিয়ে মানে বিয়েই। আমি যা করেছি বিশ্বাস থেকে করেছি সবটাই মন থেকে করেছি। আমি বিয়ে করেছি এবং বিয়ের পর থেকেই নুসরাতের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম।
আমরা একসঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতই থাকতাম”। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তাতে নিখিল ও চান তাদের বিচ্ছেদ হোক।