পাঁচ রাজ্যে ভোটের মুখে পেট্রোল-ডিজেলের সামান্য দাম কমায় বিজেপিকে কটাক্ষ রাহুলের

পাঁচ রাজ্যে ভোটের মুখে পেট্রোল-ডিজেলের সামান্য দাম কমায় বিজেপিকে কটাক্ষ রাহুলের
পাঁচ রাজ্যে ভোটের মুখে পেট্রোল-ডিজেলের সামান্য দাম কমায় বিজেপিকে কটাক্ষ রাহুলের / ছবি সৌজন্যে- Facebook Post By @rahulgandhi

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ টানা বেশ কিছু সময় ধরে এক জায়গায় স্থির থাকার পর, পেট্রোল-ডিজেলের দাম কিছুটা কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। এর জেরে কেন্দ্রীয় সরকারও এদেশে লিটার প্রতি সামান্য কিছু ছাড় ঘোষণা করেছে পেট্রোল-ডিজেলে। কিন্তু তা খুবই সামান্য। তাতে খুব একটা কিছু হেরফের হয় না। লিটার প্রতি ১৭-১৮ পয়সা দাম কমেছে পেট্রোল-ডিজেলের। যা দাঁড়িয়েছে পেট্রোল- ডিজেলের দাম, তার পর এই সামান্য কমা, হাস্যকর বলেই মনে করছেন অনেকেই।

গত কয়েক মাসে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির জেরে মধ্যবিত্তের নাজেহাল অবস্থা। পেট্রোল, ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসেরও। বিরোধীরাও এই মূল্য বৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র সরকারকে একহাত নিয়েছে। তারপরেও দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

উল্লেখ্য, লকডাউনের পর থেকেই দ্রুত গতিতে বেড়েছে পেট্রোল ডিজেলের দাম। প্রায় প্রতিদিনই বেড়েছে দাম। কোনও কোনও রাজ্যে তো পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এখন দাম কমলেও, তা মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে পারছে না। আর তাই এদিন আরও একবার পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

এদিন রাহুল গান্ধী টুইট করে লিখেছেন, ‘পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তাই কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোল-ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ১৭-১৮ পয়সা করে সস্তা করেছে। এই পয়সা নিয়ে কী কী করবেন আপনারা!’

এটা স্পষ্ট যে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ব্যঙ্গ করতেই জনসাধারণের সামনে এমন প্রশ্ন রেখেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সেই পোষ্টের সঙ্গে হ্যাশট্যাগে ফুয়েল লুট বাই বিজেপি লিখেছেন। এর আগেও পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে একাধিকবার কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন রাহুল গান্ধী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবারও দেশের চারটি মেট্রো শহরে পেট্রোল ও ডিজেলের লিটার প্রতি দামে কোনও হেরফের হয়নি। ২৮ দিন ধরে পেট্রোল-ডিজেলের দাম একই থাকার পর, সম্প্রতি লিটার প্রতি ১৭-১৮ পয়সা করে কমেছিল। কিন্তু তাতে আখেরে সমস্যা কিছুই মেটেনি। বরং এত কম ছাড় চোখেই দেখতে পাননি সাধারণ মানুষ। আর সেটাই স্বাভাবিক।

দিনকয়েক আগে সংসদে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, পেট্রোল ও ডিজেল থেকেই সরকারের ঘরে বিপুল সংখ্যক অর্থ আসে। করোনা এবং তার জেরে হওয়া লকডাউনে দেশের আর্থিক অবস্থা ভেঙে পড়েছে। আর সেই ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেই পেট্রোল ও ডিজেলে দাম বাড়ানো হচ্ছে। এদিকে সরকারের ক্ষতি পূরণ করতে গিয়ে, মধ্যবিত্তের নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে। আর তাই ফের একবার রাহুল গান্ধী কেন্দ্র সরকারকে এই পেট্রোল, ডিজেলের দাম নিয়ে কটাক্ষ করলেন।