কন্যার ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? দিনপ্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা! কীভাবে? জানুন বিস্তারিত

কন্যার ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? দিনপ্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা! কীভাবে? জানুন বিস্তারিত / প্রতীকী ছবি
কন্যার ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? দিনপ্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা! কীভাবে? জানুন বিস্তারিত / প্রতীকী ছবি

কন্যা সন্তানের বিয়ে বা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? আর চিন্তা নেই! সম্প্রতি কন্যাসন্তানের কথা মাথায় রেখে বিশেষ একটি পলিসি চালু করল ভারতের জীবন বীমা কর্পোরেশন (LIC)। এর নাম এলআইসি কন্যাদান পলিসি (LIC Kanyadaan policy)। এই পলিসির সাহায্যে স্বল্প আয়ের অভিভাবকেরা নিজের কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য টাকা সঞ্চয় করে রাখতে পারবেন।

বস্তুত কন্যার জন্মের পর থেকেই তার পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিয়ে, বিশেষত তার উজ্জ্বর ভবিষ্যতের চিন্তা যেন মা-বাবার মাথায় সবসময়ই ঘুরতে থাকে। ফলে কন্যার জন্য টাকা বিনিয়োগ এবং সঞ্চয়ের পরিকল্পনাও করতে থাকেন বাবা-মা। সেইসব অভিভাবকদের চিন্তামুক্ত করার জন্যই এবার এই নতুন প্রকল্প হাজির করল LIC। এতে দিন প্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে ২৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারেন বাবা-মা।

কন্যার ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? দিনপ্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা! কীভাবে? জানুন বিস্তারিত / প্রতীকী ছবি
কন্যার ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা? দিনপ্রতি ১৩০ টাকার বিনিয়োগে পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা! কীভাবে? জানুন বিস্তারিত / প্রতীকী ছবি

LIC-এর কন্যাদান পলিসির মেয়াদ সর্বনিম্ন ১৩ বছর। এখানে বিনিয়োগকারীর ন্যূনতম বয়স ৩০ বছর এবং বিনিয়োগকারীর কন্যার ন্যূনতম বয়স ১ বছর হতে হবে। এছাড়াও বিনিয়োগকারীর আধার কার্ড, ইনকাম সার্টিফিকেট, পরিচয়পত্র, জন্ম সার্টিফিকেটের মত গুরুত্বপূর্ণ নথির প্রয়োজন। এই পলিসিতে দিন প্রতি ১৩০ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ বার্ষিক ৪,৪৫০ টাকা জমা দিতে হবে বিনিয়োগকারীকে। এই পলিসিতে ৩ বছরেরও কম সময়ে প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে। ২৫ বছর পরে LIC থেকে প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে।

এই পলিসিতে যদি কোনও বিনিয়োগকারী পাঁচ লক্ষ টাকার বীমা নেন, তবে ২২ বছরের জন্য তাঁকে মাসিক কিস্তি হিসাবে ১,৯৫১ টাকা দিতে হবে। বীমার সময় শেষ হলে ১৩.৩৭ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। আবার যদি কোনও বিনিয়োগকারী ১০ লক্ষ টাকার বীমা গ্রহণ করেন, তাহলে তাঁকে প্রতি মাসে ৩,৯০১ টাকার কিস্তি দিতে হবে। সময় শেষে বিনিয়োগকারী ২৬.৭৫ লক্ষ টাকা পেয়ে যাবেন। বিনিয়োগকারী ব্যক্তির যদি কোনও কারণে মৃত্যু হয় তবে সেই ব্যক্তির পক্ষে অতিরিক্ত ৫ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, আয়কর আইন (Income tax act) ১৯৬১ এর ধারা ৮০ সি অনুযায়ী, প্রদত্ত প্রিমিয়ামের ওপর ট্যাক্স ছাড়ও পাওয়া যাবে। একজন বিনিয়োগকারী প্রদত্ত প্রিমিয়ামের ওপর ট্যাক্স ছাড় দেওয়ার দাবী করতে পারবেন। এক্ষেত্রে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় হতে পারে।