বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে শোভনের বিপরীতে লড়তে পারেন রত্না

বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে শোভনের বিপরীতে লড়তে পারেন রত্না
বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে শোভনের বিপরীতে লড়তে পারেন রত্না

দলত্যাগী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ভোটযুদ্ধের ময়দানে ‘সবক’ শেখাতে এবার বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী হিসেবে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবিবার বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে বিজেপি-র প্রচারে বেড়িয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েন শোভন-বৈশাখী। তাঁদের পোস্টার ও প্রচারপত্র ছিঁড়ে দেয় তৃণমূলের একদল কর্মী-সমর্থক। বিজেপি-র অভিযোগ, ওই আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন রত্না। আগেও রত্নার অনুগামীদের হাতে বেহালায় হেনস্থা হয়েছেন শোভন-বৈশাখী। এই অবস্থায় যদি শোভন এবং রত্না শেষ পর্যন্ত বেহালা-পূর্ব কেন্দ্রে দুই যূযূধান দলের প্রার্থী হন, সেটা রীতিমত তারকা-কেন্দ্র হয়ে উঠবে। প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিযোগ, পালটা অভিযোগের চেয়ে ঘরোয়া কেচ্ছা প্রচারে বেশি মাত্রা পাবে?

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রত্নাকে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও বেহালা পূর্বে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ানোর বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি শোভন-পত্নী। যদি শোভন চট্টোপাধ্যায় বিজেপির হয়ে শেষ পর্যন্ত বেহালা পূর্ব কেন্দ্র থেকে দাঁড়ান, তাহলে আসন্ন ভোটযুদ্ধে স্বামী-স্ত্রীর জমজমাট লড়াই যে হবে তা বলাই যায়।

বেহালার বাড়ি ছেড়ে শোভন গোলপার্কের বহুতলে নতুন আশ্রয়ে যাওয়ার পর থেকেই তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে কলকাতা পুরসভার ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কাজকর্ম দেখভাল করছেন রত্না। সূত্রের খবর, তাঁকে বেহালা পূর্বে দলীয় প্রার্থী করা নিয়ে অবশ্য ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছেন দলের ‘বিজেপি বান্ধব’ বেশ কযেকজন কাউন্সিলর। সেই আপত্তিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

তবে এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি শোভন পত্নি রত্না। তাঁর কথায়, ‘‘দলই ঠিক করবে কে প্রার্থী হবেন। দল এখনও পর্যন্ত যে দায়িত্ব দিয়েছে তা সাধ্যমতো পালনের চেষ্টা করছি। বেহালা পূর্ব বিধানসভা আসনে প্রার্থী হব, তেমন কিছু দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। ফলে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’’

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.