বহু মহিলা বৈশাখীকে ঘেন্না করে: বিস্ফোরক রত্না চট্টোপাধ্যায়

বহু মহিলা বৈশাখীকে ঘেন্না করে: বিস্ফোরক রত্না চট্টোপাধ্যায়
বহু মহিলা বৈশাখীকে ঘেন্না করে: বিস্ফোরক রত্না চট্টোপাধ্যায়

সোমবার সেলিমপুর এর সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের মুখ দেখার পরামর্শ দিয়েছিলেন অধুনা বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পাল্টা শোভন বাবু কে আয়নার সামনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিলেন শোভন পত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায়।

এদিন শোভন চট্টোপাধ্যায় কে আয়নার সামনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়ে রত্না দেবী বলেন, “শোভন চট্টোপাধ্যায় নিজে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান। ওনার ঘরে আয়না নেই? উনি বিজেপিতে যোগদানের পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওনার বিরুদ্ধে মুখ খোলেননি। সেই মানুষটাকে গতকাল লাগাতার আক্রমণ করে গেল”। একইসঙ্গে তাঁর কথায়, “যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় আজ এত বড় বড় কথা বলছেন, সেই  মঞ্চটা তিনি পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। ১৯৮৫ সালে ২১ বছর বয়সে শোভন চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে কাউন্সিলরের টিকিট নেন”।

অন্যদিকে, এদিন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন রত্না দেবী। বিস্ফোরক রত্না এদিন বলেন, “উনি বৈশাখীর সঙ্গে দিন-রাত কাটাবেন বলে মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। ওনার কাজ ভাল লাগেনি। বৈশাখীর জন্য উনি চটির মতো মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন”। তিনি আরও বলেন, “চটির মতো মন্ত্রিত্ব উনি ছাড়েননি। মন্ত্রিত্বের প্রতি ওনার যথেষ্ট লোভ ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওনাকে মন্ত্রী করেছিলেন, মেয়র করেছিলেন। উনি শুধু বলেছিলেন, হয় কাজ কর, নইলে প্রেম কর। দুটো এক সঙ্গে করিস না”।

বৈশাখীকে নিশানায় নিয়ে রত্না দেবীর আরও জানান, “আমার লজ্জা লাগে যখন ফেসবুকে লোকে আমার বরকে নিয়ে নানা কথা বলেন। কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে বাজারে কী আছে সব্বাই জানে। ওনার নাম নিতে আমার প্রচণ্ড ঘেন্না করে। আমার মতো কলকাতা শহরের অনেক মহিলা আছে যাদের ঘর ভাঙতে ভাঙতেও ভাঙেনি। সেরকম বহু মহিলা তাঁকে ঘেন্না করে”।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.