ভরাডুবি বিজেপির! কারণ জানতে সমীক্ষা প্রয়োজন, বললেন দিলীপ ঘোষ

ভরাডুবি বিজেপির! কারণ জানতে সমীক্ষা প্রয়োজন, বললেন দিলীপ ঘোষ
ভরাডুবি বিজেপির! কারণ জানতে সমীক্ষা প্রয়োজন, বললেন দিলীপ ঘোষ

বিধানসভার ভোটের প্রচারে এসে ২০০ আসন পাবে বারবার দাবি করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোটের আগে তো বটেই, ভোটের পরেও দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও জোর দিয়ে দাবি করেছিলেন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন। কিন্তু বাংলায় বিজেপির ফলাফল নিয়ে হতবাক বিজেপি নেতৃত্ব। জেতা আসনেও কিভাবে হতাশাজনক ফল হল তা নিয়ে কার্যত সমীক্ষা করতে চান তাঁরা।

একুশের নির্বাচন ছিল স্বভাবতই অন্যান্য নির্বাচনের থেকে অনেকখানি আলাদা। প্রতিবারের নির্বাচনে খানিকটা আগে থেকে জয়ের আভাস পাওয়া গেলেও এবারের নির্বাচনে ঘুণাক্ষরেও সেই ইঙ্গিত মেলেনি। বরং বিজেপি জয় ছিনিয়ে নিতে পারে বলেও মনে হয়েছে কখনো কখনো। তার উপর বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছিল লোকসভার ফলাফল। তাই সেই কারণেই হয়তো নিজেদের জয় এবং আসন নিয়ে অনেকখানি আশাবাদী ছিল গেরুয়া শিবির।

কিন্তু রবিবারের ফল একেবারেই আশানুরূপ না হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্টতই জানালেন, “এই ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে আত্মসমীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। তবে বহু আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে”।

মূলত তৃণমূলের যে সকল হেভিওয়েটরা দল বদল করে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের সকলকেই টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু এদের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারী ও হিরণ ছাড়া কেউই জিততে পারেনি। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু জানান, “তৃণমূল থেকে যাঁরা এসে টিকিট পেয়েছিল, তাঁদের মানুষ কীভাবে নিয়েছে, কেনই বা গ্রহণ করল না তা আমাদের পর্যালোচনা করতে হবে। তবে সিপিএম-কংগ্রেসের ভোট পুরোটাই তৃণমূল পেয়েছে।
কলকাতা ও বেশ কিছু জেলায় ফল খারাপ হয়েছে, পুরো বিষয়টা নিয়েই আমরা পর্যালোচনা করব।”

অন্যদিকে, দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বক্তব্য,  “জয় হলে মমতার জয়। কিন্তু বিজেপির নিশ্চিত আসনে কেন হার, সেটা আশ্চর্যের বিষয়। বাবুল, লকেট, রাহুলদের এই ফল আশ্চর্যজনক।”