ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই, মাঠে নেমে পড়ল আধাসামরিক বাহিনী, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে শুরু রুটমার্চ

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই, মাঠে নেমে পড়ল আধাসামরিক বাহিনী, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে শুরু রুটমার্চ
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই, মাঠে নেমে পড়ল আধাসামরিক বাহিনী, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে শুরু রুটমার্চ

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদাঃ জলপাই রঙের পোশাক। সঙ্গে ভারী বুটের আওয়াজ। ভোটের বঙ্গে এ ছবি নতুন নয়। তবে, এবার যেটা নজরে আসছে তা হল, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা বা নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার আগেই, রাজ্যে এসেছে আধাসামরিক বাহিনী। ইতিমধ্যেই টহলও শুরু করে দিয়েছেন বাহিনীর জওয়ানরা। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরেও প্রবেশ করেছে আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা।

ভোটের দিন ঘোষণা হতেই, এক কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান প্রবেশ করল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। ৪০৪ নম্বর বিএসএফের ব্যাটেলিয়ান কিষাণগঞ্জ থেকে হরিশ্চন্দ্রপুর এসেছে। এদের হরিশ্চন্দ্রপুর আইটিআই কলেজে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর জুড়ে রুটমার্চে নেমেছে। এই রুটমার্চে উপস্থিত থাকছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস এবং ব্লকের বিডিও।

এদিন আইসি সঞ্জয় কুমার দাস এবং হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের বিডিও পার্থ দাস এর উপস্থিতিতে হরিশ্চন্দ্রপুর সদর দৌলত নগর, সুলতান নগর, তুলসিহাটা, মালিওর, প্রভৃতি এলাকায় রুটমার্চ করে আধাসামরিক বাহিনী। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে, আধাসামরিক বাহিনী হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অঞ্চলে রুটমার্চ করবে।

এ প্রসঙ্গে বিডিও হরিশ্চন্দ্রপুর ব্লক ২, পার্থ দাস জানিয়েছেন যে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই, এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে। রুটমার্চ লাগাতার চলবে।

চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও রকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না, সেটা আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিরোধীরাও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তাই কমিশনের নির্দেশে বাহিনী আসার পরই, ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে শুরু হয়েছে রুটমার্চ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঘোষণা হয়েছে বঙ্গে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ। গত শুক্রবার, দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল কুমার অরোরা।

চলতি মাসের ২৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। ২৭ মার্চের পর পরের দফাগুলি যথাক্রমে ১ এপ্রিল, ৬ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল, ২২ এপ্রিল, ২৬ এপ্রিল এবং শেষ দফার ভোট গ্রহণ ২৯ এপ্রিল৷ ২ মে হবে ভোট গণনা এবং ফলপ্রকাশ৷ উল্লেখ্য, রাজ্যে গত বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৭ দফায়। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ যে পাঁচটি রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে, তার মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই হবে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.