ফিনিক্সের মতো আবারও ঐন্দ্রিলাও একদিন ফিরবে শুটিং ফ্লোরে! আশায় রয়েছে সব্যসাচী

ফিনিক্সের মতো আবারও ঐন্দ্রিলাও একদিন ফিরবে শুটিং ফ্লোরে! আশায় রয়েছে সব্যসাচী
ফিনিক্সের মতো আবারও ঐন্দ্রিলাও একদিন ফিরবে শুটিং ফ্লোরে! আশায় রয়েছে সব্যসাচী

কাছের মানুষ, মনের মানুষ, প্রিয় বন্ধু অনেকেই এই বিশেষণ গুলো কোনও এক মানুষের উদ্দ্যেশ্যে বসায় কিন্তু সত্যিই কি সেই মানুষটি এই শব্দ গুলি অর্জন করতে পারে? এই শব্দ গুলো অর্জন করতে গেলে কোনো মানুষের এতটাই কাছে পৌঁছাতে হবে যেখানে মনে হবে দুটো শরীর কিন্তু মন একটাই। অন্যের আঘাতে যে মানুষটা অপরের ব্যাথা অনুভব করতে পারবে। এমনই এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ঐন্দ্রিলা এবং সব্যসাচী। তাদের দুজনের ভালোবাসা এই সব কিছুর উর্ধ্বে। ভালোবাসার মানুষের সবচেয়ে খারাপ মুহূর্তটাই পাশে থেকেছেন সব্যসাচী।

“কখনও ডানায় চোট লাগা পাখি দেখেছো? আমি প্রতিনিয়ত দেখি।” সম্প্রতি ঐন্দ্রিলার জন্য এমনই কিছু শব্দ ব্যবহার করলেন সব্যসাচী। কতটা ব্যাথা পেয়ে তিনি যে এই শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সালটা ছিল ২০১৫। ফুটফুটে ঐন্দ্রিলার শরীরে বাসা বাঁধলো ক্যানসার। তখন দাপিয়ে অভিনয় করছেন তিনি। তবে এই মেয়ের অদম্য শক্তি আর সাহস দেখে ক্যানসার ও হার মানল। তবে শরীর থেকে পুরোপুরি চলে যায়নি। শরীরে লুকিয়ে ছিল ক্যানসার। আবারও ২০২১ সালে চোখ রাঙালো এই মারণ রোগ। এই বার অভিনেত্রী প্রথম থেকেই জানিয়ে দিয়ে ছিলেন তিনি ক্লান্ত। তবে তাকে সাহস জুগিয়ে গেছেন সব্যসাচী।

অভিনেতা জানালেন কেমন আছেন ঐন্দ্রিলা। কেমো নেওয়ার পর খুব কষ্ট পান অভিনেত্রী। মাঝে মধ্যেই শরীরে নানান অসুবিধা দেখা যায়। এমনকি অনেক সময় ঐন্দ্রিলা মাথা তুলতে পারেন না। আর একটু ভালো হলেই মোমো বিরিয়ানি খাওয়ার বায়না করেন। জীবন যুদ্ধ আর কতদিন চালিয়ে যেতে হবে সেই নিয়ে অতিষ্ট ঐন্দ্রিলাও। তবে হাল ছাড়েন নি অভিনেতা। ফিনিক্স পাখি যেমন ছাই থেকে জন্ম নেয় ঠিক তেমনই ঐন্দ্রিলাও সুস্থ হয়ে ফিরবে শুটিং ফ্লোরে। আশায় আছেন সব্যসাচী।