একগুচ্ছ নিয়মাবলীর সাথে রাজ্যে আজ থেকে খুলল স্কুল, খুশির হাওয়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে

একগুচ্ছ নিয়মাবলীর সাথে রাজ্যে আজ থেকে খুলল স্কুল, খুশির হাওয়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে
একগুচ্ছ নিয়মাবলীর সাথে রাজ্যে আজ থেকে খুলল স্কুল, খুশির হাওয়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে / ফাইল ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ করোনা সংক্রমণের জেরে সারাদেশ জুড়ে জারি হয়েছিল লকডাউন। সেসময় বন্ধ ছিল ধর্মীয় স্থান, সরকারি-বেসরকারি অফিস, নানা ধরণের অনুষ্ঠান সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও। বর্তমানে আনলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয়েছে অফিস, আদালত সহ ধর্মীয় স্থান এমনকি শুরু হয়েছে নানা অনুষ্ঠান বাড়িও। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকায় অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পড়াশোনা শুরু হয়েছিল পড়ুয়াদের।

তবে অবশেষে ১১ মাস পর আজ ১২ই ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে দেওয়া হয় রাজ্যের সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, বেশকিছু বেসরকারি বিদ্যালয়গুলি। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে পড়াশুনা। স্কুল খোলায় খুশি ছাত্রছাত্রীরাও। তবে কিছু নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে বিদ্যালয়গুলিকে সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদেরও।

অন্যদিকে আজ বন্ধের দিনেও পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এছাড়া স্কুলে পড়ুয়াদের পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আজ বেশি মাত্রায় সরকারি বাস নামিয়েছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে স্কুলে পড়ুয়ারা যাওয়ার আগে স্কুলের ক্লাস রুম স্যানিটাইজ করা থেকে শুরু করে স্কুলের ওয়াস রুম পরিস্কার ইত্যাদির দিকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিশেষ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। এছাড়া স্কুলে প্রবেশ ও বাহিরের ক্ষেত্রে ২৮ পাতার গাইড লাইন জারি করেছে রাজ্য সরকার।

উল্লেখ্য স্কুলে ছাত্রছাত্রী সহ শিক্ষকদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা প্রবেশের আগে এবং স্কুল ছুটি হওয়ার পড়ে ক্লাস রুম ও ওয়াস রুম স্যানিটাইজ করতে হবে। স্কুলে বেঞ্চে ১-২ জনের বেশি বসা যাবে না। এমনকি খাবার ভাগ করে খাওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর ২নং ব্লকের ধুবুলিয়া শ্যামাপ্রসাদ শিক্ষায়তনের জাতীয় সেবা প্রকল্প বিভাগ। বিদ্যালয়ের ঢোকার গেটের দুই পাশে বৃহস্পতিবার করোনা সচেতনতায় দেওয়াল জুড়ে লেখা হয়েছে করোনা সচেতনতার বার্তা। মাস্ক ব্যবহার, বারে বারে হাত ধোয়া, একে অপরের সঙ্গে ৬ফুট দূরত্ব মেনে চলা সহ একাধিক সতর্কতামূলক বিষয় দেয়ালে চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।

জাতীয় সেবা প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার দীপ কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের করোনা বিষয়ে বিভিন্ন সাবধানতা অবলম্বন করানোর জন্যই জাতীয় সেবা প্রকল্পের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ। বিদ্যালয়ের এই ভূমিকায় খুশি অভিভাবক -অভিভাবিকাবৃন্দ ।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.