সব মান অভিমান ভুলে বাঁকুড়ায় একসাথে শম্পা-সায়ন্তিকা!

সব মান অভিমান ভুলে বাঁকুড়ায় একসাথে শম্পা-সায়ন্তিকা!
সব মান অভিমান ভুলে বাঁকুড়ায় একসাথে শম্পা-সায়ন্তিকা!

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ রাজ্যের দৌড়গোড়ায় ২০২১ এর বিধানসভা ভোট। রাজ্যের শাসক দলে কে আধিপত্ত বিস্তার করবে তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। রাজনৈতিক দলগুলি তাঁদের অবস্থান পাকাপক্ত করতে আসরে নেমে পড়েছে। আর ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। এবার তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছে নতুন এক ঝাঁক তারকা। তারমধ্যে একজন হলেন টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন নির্বাচনে তিনি বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়বেন।

বর্তমানে তিনি শুরু করেছেন প্রচার যাত্রা। প্রসঙ্গত অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে নেমে সকল মানুষের সাথে মন খুলে কথা বলে চলেছেন। এমনকি জনগনের অভিযোগ সহ দুঃখ-কষ্ট সব কথায় শুনছেন তিনি। আর এরই মাঝে রবিবার প্রচার শুরুর আগে পৌঁছে গেলেন বাঁকুড়ার বিদায়ী বিধায়ক শম্পা দরিপার বাড়িতে। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেত্রী শম্পা দরিপা তৃণমূলের থেকে টিকিট না পেয়ে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেসে। তিনি জয়ীও হন। তবে জয়ের কিছুমাসের মধ্যেই তিনি আবার ফিরে আসেন তৃণমূলে।

প্রসঙ্গত তিনি এবারের নির্বাচনেও তৃণমূলের টিকিট পান নি। এবার বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে এবারও নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে নেত্রী সহ দলের প্রতি নানা ক্ষোভ উগড়ে দেন শম্পা দরিপা। আর এরই মাঝে তাঁর বাড়িতে হাজির হন বাঁকুড়ার এবারের নতুন প্রার্থী সায়ন্তিকা। অভিনেত্রী বিদায়ী বিধায়ক শম্পা দরিপার স্কুলডাঙার বাড়িতে এসে তাঁর সাথে কথাবার্তা বলেন। সেখানে চপ-মুড়ি খান অভিনেত্রী। এমনকি মানভঞ্জনে চপও খাইয়ে দেন শম্পা দরিপা কে।

বর্তমানে সব মান-অভিমান ভুলে শম্পা-সায়ন্তিকা একত্রিত হয়েছেন। এমনকি শম্পা দরিপা জানান, সায়ন্তিকার প্রতি তাঁর কোনও ক্ষোভ নেই, তাঁর ক্ষোভ ছিল দলের প্রতি। উল্লেখ্য ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছেন। আগামী ২৭ মার্চ থেকেই বাংলার শুরু হবে নির্বাচন। এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বেশকিছু নতুন তারকা। তারকাদের যোগদান কতটা প্রভাব ফেলবে নির্বাচনে তা সময় বলবে। কে হবে বাংলার শাসক? কে হাসবে শেষ হাসি তা শুধুমাত্র নির্বাচনের ফলাফলই বলবে। শেষমেশ কে বাংলার শাসকের স্থান দখল করবে তা দেখার জন্য অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল সহ জনগন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.