করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান ফের ভয় ধরাচ্ছে, সাবধানতা হিসেবে নয়া পদক্ষেপ গ্রহণ সিকিমের

করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান ফের ভয় ধরাচ্ছে, সাবধানতা হিসেবে নয়া পদক্ষেপ গ্রহণ সিকিমের
করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান ফের ভয় ধরাচ্ছে, সাবধানতা হিসেবে নয়া পদক্ষেপ গ্রহণ সিকিমের / ছবি সৌজন্যে- Facebook Post By @Wbdhfw (Representative Image)

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশজুড়ে চলছে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া। ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে এই টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ। এদিকে আচমকাই দেশব্যাপী দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বগামী।

নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকেই মহারাষ্ট্র, কেরালা সহ পাঁচ রাজ্যে প্রবল গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এর জেরে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কেরালা, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক থেকে সিকিমে আসায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেই রাজ্যের সরকার। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিকিম যাওয়ার ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এখানেই শেষ নয়, শিলিগুড়ি সীমান্তে অর্থাৎ সিকিমের প্রবেশপথে স্ক্রিনিং ডোর লাগানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেখানকার সরকারের তরফে।

বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে, বুধবার ফের নতুন করে গাইডলাইন জারি করেছে সিকিম সরকার। ইতিমধ্যেই করোনা টিকা নিয়েছেন গভর্নর গঙ্গা প্রসাদ। রাজ্যপালের সঙ্গে টিকাকরণে সঙ্গী হন সিকিমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এম কে শর্মাও। সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন যে, নাগরিকদের সুরক্ষা তাঁদের কাছে সর্বাধিক জরুরি বিষয়। তাই রাজ্যে ঢোকার আগে স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি। আপাতত শুধু সিকিমের প্রবেশ পথেই স্ক্রিনিং চালানো হবে বলেও তিনি জানান। এর পাশাপাশি তিনি এও স্মরণ করান যে, এর আগেও সেখানে অন্য রাজ্যের মানুষের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিকিম সরকার। এই সিদ্ধান্তের কারণে করোনা সংক্রমণের সংখ্যায় রাশ টানতে সক্ষম হয়েছিল সিকিম সরকার। এবারও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই কথা মাথায় রেখেই, ফের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফায় ১০ হাজার সরকারি এবং ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা। দ্বিতীয় দফায় ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ ব্যক্তিদের পাশাপাশি ৪৫-এর বেশি বয়স্ক মানুষ, যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদেরও করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি ক্ষেত্রে এই টিকা বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও, বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে করোনার টিকা নিতে গেলে দিতে হবে মূল্য। এক্ষেত্রে একটি ডোজের জন্য খরচ করতে হবে ২৫০ টাকা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.