শিশির অধিকারীকে করা হতে পারে রাজ্যপাল, তেমনই ভাবনাচিন্তা কেন্দ্র সরকারের! জল্পনা তুঙ্গে

শিশির অধিকারীকে করা হতে পারে রাজ্যপাল, তেমনই ভাবনাচিন্তা কেন্দ্র সরকারের! জল্পনা তুঙ্গে
শিশির অধিকারীকে করা হতে পারে রাজ্যপাল, তেমনই ভাবনাচিন্তা কেন্দ্র সরকারের! জল্পনা তুঙ্গে

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা সাংসদ শিশির অধিকারীকে রাজ্যপাল করার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে গুরুত্বসহকারে কেন্দ্রের তরফে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে। যদিও এ ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সূত্রের খবর, দেশের পূর্বাঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া দুটি রাজ্য কেন্দ্র সরকারের ভাবনায় রয়েছে। যদিও শিশির অধিকারী এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলেই খবর। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রের তরফ থেকে এও দাবি করা হয়েছে যে, তাঁর কাছে রাজ্যপাল হওয়ার প্রস্তাব এলে, তিনি তা ফেরাবেন না।

উল্লেখ্য, শিশিরবাবু দীর্ঘদিন প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁর অভিজ্ঞতা বিস্তর। এই মুহূর্তে তাঁর বয়স ৮০-র বেশি। তবে, শারীরিকভাবে এখনও তিনি যথেষ্ট শক্তসমর্থ। আবার রাজনৈতিকভাবেও তিনি এখনও সক্রিয় রয়েছেন। ছেলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই একটু একটু করে তাঁর সঙ্গেও তৃণমূলের দূরত্ব বারছিল। সম্প্রতি তিনিও দুই ছেলের মতো তৃণমূল ত্যাগ করেছেন। সরাসরি বিজেপিতে যোগ না দিলেও, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন জানিয়েছেন। কাঁথিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী সভাতেও উপস্থিত থেকেছেন। যদিও তিনি এখনও তৃণমূলেরই সাংসদ রয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যে বিধানসভা ভোট মিটলে তৃণমূল তাঁর সাংসদপদ খারিজের জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানানো হবে।

বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আর হয়তো এরপর ভোটেও লড়বেন না। এই পরিস্থিতিতে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শিশির অধিকারীকে ‘সম্মানজনক পুনর্বাসন’ দিতে চায় বলেই সূত্রের খবর। সেই জন্যই তাঁকে কোনও একটি রাজ্যের রাজ্যপাল করার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। যদিও এই ভাবনা অনেক আগেই শুরু হয়েছিল। এই ভাবনা আজকের নয়। এমন শোনা যাচ্ছিল যে, আগামী আগস্ট মাসে পুরবাঞ্চলের কোনও একটি রাজ্যের রাজ্যপালের মেয়াদ শেষ হলেই, সেখানেই তাঁকে রাজ্যপাল করে পাঠানো হবে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এক নেতা জানিয়েছেন যে, ‘ওনার বয়স হয়েছে, এই অবস্থায় ওনাকে আর নতুন করে কোনও রাজনৈতিক বিড়ম্বনায় পড়তে হোক, তা চাইছে না কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাছাড়া এমন বর্ষীয়ান এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যে রাজ্যের রাজ্যপাল হবেন, সেই রাজ্যই তাঁর প্রজ্ঞা থেকে লাভবান হবেন। সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সেই পথেই এগোচ্ছে কেন্দ্র।’

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.