পুরভোটের বাদ্যি বাজতেই তৎপরতা শুরু! বিশেষ কমিটি গঠন বিজেপির

পুরভোটের বাদ্যি বাজতেই তৎপরতা শুরু! বিশেষ কমিটি গঠন বিজেপির
পুরভোটের বাদ্যি বাজতেই তৎপরতা শুরু! বিশেষ কমিটি গঠন বিজেপির

রাজ্যে সব পুরসভায় একসঙ্গে ভোট করানোর জন্য দাবি করেছে বিজেপি। এরপর এর জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করল গেরুয়া শিবির। হাওড়া পুরসভার ভোটের জন্য একটি কমিটি এবং কলকাতা পুরসভার ভোটের জন্য চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বিজেপির তরফে। অর্থাৎ পুরভোটের বাদ্যি বাজতেই তৎপরতা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরে।

জানা গিয়েছে, কলকাতা ভোটের জন্য যে ৪টি কমিটি গঠন করেছে বিজেপি তাতে নেতৃত্ব দেবেন, প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল, রুদ্রনীল ঘোষ, তুষার ঘোষ এবং কল্যাণ চৌবে। অন্যদিকে,রথীন্দ্র চক্রবর্তীর নেতৃত্বে হাওড়ার কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে প্রচারের যাবতীয় বিষয় দেখবে এই কমিটি।

বিজেপির তরফে আগেই দাবি করে জানানো হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে গোটা রাজ্যে একসঙ্গে পুরভোট হোক। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। তবে কমিশন সেই আবেদনে সাড়া না দিয়ে ডিসেম্বরেই এই দুই পুরসভায় ভোট করতে চাওয়ায় হাইকোর্টে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে ফেব্রুয়ারিতে ভোট করানোর দাবি তুললেও ভোট যদি ডিসেম্বরে হয় তাহলে সেক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিতেই হবে। আর সেই কারণেই কোমর বাঁধতে শুরু করেছে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “জিততে গেলে যেসব স্ট্র্যাটেজি নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়া হচ্ছে। যাঁরা কাউন্সিলর আছেন বা যাঁরা কাউন্সিলর ভোটে লড়েছেন, তাঁদের দলের তরফে বলা হবে তাঁরা যেন এবারও লড়েন। কারণ, তাঁদের অভিজ্ঞতা অন্যান্যদের তুলনায় অনেক বেশি। কিছু নতুন লোককে প্রার্থী করা হবে। যাতে নতুন-পুরনোর মিশেল থাকে। তাতে শক্তিশালী প্রার্থী তালিকা দেওয়া যাবে।”

দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, “নির্বাচন এক সঙ্গে হোক আর আলাদাভাবে হোক, নির্বাচন আমরা লড়বই তার জন্য কলকাতা এবং হাওড়া কর্পোরেশন ইলেকশনের জন্য আলাদা টিম তৈরি করা হয়েছে। শেয়ারিং কমিটি তৈরি হয়ে গিয়েছে। মিটিং হয়ে গিয়েছে। আগে থেকেই চলছিল মাইক্রো লেভেলে এখন বড় করে হয়েছে। পুরো শক্তি নিয়ে বিজেপি লড়াই করবে।”