বাংলার অক্সিজেন বাংলাতেই থাকুক! কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে আবেদন রাজ্যের

বাংলার অক্সিজেন বাংলাতেই থাকুক! কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে আবেদন রাজ্যের
বাংলার অক্সিজেন বাংলাতেই থাকুক! কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে আবেদন রাজ্যের

যেভাবে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে তাতে দেশের একাধিক রাজ্যে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে অক্সিজেনের চাহিদা অনুযায়ী যোগান পর্যাপ্ত থাকে সেই কারণে তৎপর হলো স্বাস্থ্য দপ্তর। এবার করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের পরিষেবা যাতে ঠিকঠাক থাকে সে বিষয়ে নজর রাখতে নবান্নে বিশেষ প্রশাসনিক কন্ট্রোলরুম খোলার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য।

এদিকে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যে দশটি অক্সিজেন প্লান্টে রোজ অক্সিজেন উৎপাদিত হচ্ছে ৪৯৭ মেট্রিক টন। সেখানে দৈনিক এখনো পর্যন্ত অক্সিজেন লাগছে ২২৩ মেট্রিক টন। তবে এখন উদ্বৃত্ত অক্সিজেন থাকলেও রাজ্য সরকারের অনুমান কিছুদিন পর আর এই উদ্বৃত্ত থাকবে না। তাই ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়ে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই সময় ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হলে অন্যান্য রাজ্যের মতো এই রাজ্যে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেবে। তাই বাংলার অক্সিজেন বাংলাতেই যেন থাকে সেই আবেদন জানিয়ে কেন্দ্র কে চিঠি দিয়েছে রাজ্য। যদিও শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ চিঠির জবাব কেন্দ্রের তরফ সে এখনো আসেনি।

জানা গেছে এই কন্ট্রোলরুম থেকে সরকারের শীর্ষ সারির আমলারা বিভিন্ন জেলার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেন। এছাড়াও নোডাল অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাজ্যের যে সমস্ত হাসপাতালে অক্সিজেন ফুরিয়ে আসছে সেখানে তা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে অক্সিজেনের কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এই সংকটকালীন পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেদের লাভ করতে না পারে সেই কারণে বিভিন্ন ফার্মেসিগুলোতে অ্যাডভাইজারি দিতে চলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। জানা গেছে কেউ অক্সিজেন নিতে এলে সে ক্ষেত্রে কোভিদ টেস্টের পজিটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। এছাড়াও অক্সিজেন সিলিন্ডার কেনার ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্তরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.