দল ভাঙানোর রাজনীতি প্রথম তৃণমূলই শুরু করেছে: সুজন চক্রবর্তী

দল ভাঙানোর রাজনীতি প্রথম তৃণমূলই শুরু করেছে: সুজন চক্রবর্তী
দল ভাঙানোর রাজনীতি প্রথম তৃণমূলই শুরু করেছে: সুজন চক্রবর্তী

তৃণমূলের দুই সাংসদ পদ খারিজের দাবিকে সমর্থন করলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, “তৃণমূল কংগ্রেস দলত্যাগীদের সাংসদ পদ খারিজ করার যে দাবি জানিয়েছে তা সঠিক”। প্রসঙ্গত, শিশির অধিকারী ও সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই দু’‌জনের সাংসদ পদ খারিজের দাবি লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

যদিও তৃণমূলের এই সিদ্ধান্ত দ্বিচারিতা বলেও দাবি সুজন চক্রবর্তীর। এই প্রসঙ্গে এদিন সুজন বাবু বলেন, “অবিলম্বে যারা দল ছেড়েছে তাদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করা উচিত লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিরলার”। তাঁর মতে, “এই তৃণমূল দল একসময় সিপিএম কংগ্রেস দল ভাঙিয়ে বহু সাংসদ বিধায়কদের নিজেদের দলে নিয়ে গেছেন। এই রাজনীতি তারাই শুরু করেছেন প্রথম”।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে সংসদের উচ্চকক্ষের মনোনীত সদস্য হলেন স্বপন দাশগুপ্ত। ২০১৬ সালে এপ্রিলে রাজ্যসভায় মনোনীত সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যসভায় মনোনীত সদস্য শপথ গ্রহণের ছয় মাস পর যদি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন তবে তার সাংসদ পদ বাতিল হওয়ার কথা। এরপরেই ইস্তফা দেন স্বপনবাবু।

স্বপন দাসগুপ্ত কে রাজ্য সভার সাংসদ হিসেবে ফের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়েও সরব হন তিনি। বলেন, “সম্প্রতি যে কায়দায় বিজেপি স্বপন দাসগুপ্তকে রাজ্য সভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচন করল তা সংবিধান বিরোধী। এই স্বপন দাসগুপ্ত বিজেপির টিকিটে লড়াই করার জন্য সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিধানসভা ভোটে মানুষের সমর্থন না পেয়ে হেরে গিয়ে পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত হলেন”।