দেবাঞ্জনের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপাল এক ফ্রেমে! জোড়া ছবি প্রকাশ তৃণমূলের

দেবাঞ্জনের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপাল এক ফ্রেমে! জোড়া ছবি প্রকাশ তৃণমূলের
দেবাঞ্জনের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপাল এক ফ্রেমে! জোড়া ছবি প্রকাশ তৃণমূলের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ জাল টিকাকরণ কাণ্ড নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। শহরের বুকে পুলিশের নাকের ডগায় দীর্ঘ সময় ধরে জাল টিকাকরণ এবং এর মাথা দেবাঞ্জন দেবের কলকাতা পুরসভায় অবাধ যাতায়াত, এই বিষয়কে হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। একাধিকবার এই জাল টিকাকরণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। আবার অতি সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফ থেকে এই কাণ্ডে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা জানতে চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

‘এই জাল টিকা কাণ্ডের পিছনেও যে বিজেপির হাত নেই, কে গ্যারান্টি দিতে পারে! দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে বিজেপির ও অন্যান্য পার্টির ছবি রয়েছে। সেগুলি আগামী দিনে দেখতে পাবেন’। এমনটাই অতি সম্প্রতি নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির পরেই, তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের জাতীয় মুখপাত্র সুখেন্দু শেখর রায় দুটি ছবি প্রকাশ্যে তুলে ধরলেন।

এই দুটি ছবির মধ্যে একটিতে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জন দেবের নিরাপত্তা রক্ষীকে। এই দুই ছবির মধ্যে একটি ছবি দেখিয়ে, সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, ‘ভুয়ো টিকা কাণ্ডের প্রতারক দেবাঞ্জনের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী। তাঁর নাম অরবিন্দ বৈদ্য। সেও ভুয়ো কিনা বলতে পারব না।’ এরপরই আরও একটি ছবি প্রকাশ্যে আনেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। বলেন, ‘এটা চিনতে পারেন কিনা দেখুন তো। ওই নিরাপত্তারক্ষী কাদের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে? মাননীয় রাজ্যপাল ও আর আত্মীয়দের সঙ্গে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা রক্ষী।’

দেবাঞ্জনের সঙ্গে রাজ্যপালের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ইঙ্গিত দিয়েছেন সুখেন্দু শেখর। তাঁর কথায়, ‘জানতে পেরেছি এই নিরাপত্তারক্ষীর মাধ্যমে কোনও বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম ও উপহার পাঠাত দেবাঞ্জন। আমরা দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্তকারীদের গোচরে আনব। সমস্ত তথ্য প্রকাশ করা হোক সেটাই চাইব। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকা কাণ্ডে মানুষকে অসুবিধায় যারা ফেলেছেন, তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।’ পাশাপাশি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় এও বলেন যে, ‘পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সঙ্গে প্রতারকের কোনও যোগাযোগ থাকলে দেশের পক্ষে তা ভয়ঙ্কর।’