বাবাকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অসহায় আর্জি চুঁচুড়ার এই মেয়ের! সাহায্যের হাত বাড়ালেন দেব

বাবাকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অসহায় আর্জি চুঁচুড়ার এই মেয়ের! সাহায্যের হাত বাড়ালেন দেব
বাবাকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অসহায় আর্জি চুঁচুড়ার এই মেয়ের! সাহায্যের হাত বাড়ালেন দেব

বাবা অসুস্থ৷ বিছানায় শয্যাশায়ী। চিকিৎসার খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার। এই কঠিন পরিস্থিতিতে বাবাকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে চুঁচুড়ার বাসিন্দা ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী, তিতলি। একটি ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বাবার চিকিৎসার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করে সে। এরপরই তার পাশে এসে দাঁড়ান অভিনেতা ও তৃণমূল সাংসদ দেব। তিতলির পরিবারের দিকে বাড়িয়ে দেন সাহায্যের হাত৷

সম্প্রতি ট্যুইটের মাধ্যমে এ কথা প্রকাশ্যে আনেন দেব৷ তিতলির ভিডিওটি শেয়ার করে তাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার অন্তর বাগানে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন সন্দীপ দত্ত, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে তিতলি। পেশায় তিনি সেলসম্যান। গত তিন বছর ধরেই তাঁর শরীর অসুস্থ। প্রথমে প্যানক্রিয়াসের সমস্যা ধরা পরে। এরপর হাই সুগার থাকায় তা কিডনি আর লিভারেও ক্ষতি করে। চিকিৎসার জন্য ব্যাঙ্গালোরেও যান সন্দীপ বাবু। কিন্তু প্যানক্রিয়াস অপারেশন করাতে খরচ প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা। টাকার অভাবে তাই ব্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে আসতে হয় তাঁকে।

এরপর গত মার্চ মাসে কিছু মানুষের সাহায্য পেয়ে হায়দ্রাবাদে চিকিৎসা করাতে যান সন্দীপবাবু। কিন্তু অস্ত্রোপচার করালেও সুস্থ হওয়ার কোনও নিশ্চয়তা নেই বলে জানায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তাই কলকাতায় ফিরে এসে শিশু মঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। আগেই হাই সুগার ছিল৷ তাই কোমরের নীচে ইনফেকশান হয়ে যায়। ফের অস্ত্রোপচার করাতে হয়। তারপর থেকেই বিছানায় শয্যাশায়ী তিনি। তাঁর ওষুধ কেনা থেকে শুরু করে সংসারের অন্ন জোগানের জন্যও পাশে ছিলেন না কেউই। অসহায় অবস্থায় তাই সাহায্যের আর্জি জানাতে হয় তিতলিকে।

ইতিমধ্যেই দেবের টিমের তরফে মুনমুন দেবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে খবর। অভিনেতা-তৃণমূল সাংসদ সাধ্যমতো সাহায্য করবেন বলেও জানা গিয়েছে। চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারও দিয়েছেন সাহায্যের আশ্বাস। এছাড়াও স্থানীয় এক শিক্ষক সংগঠনের পাশাপাশিই এগিয়ে এসেছেন বহু মানুষ। তিতলির পরিবারের দিকে বাড়িয়েছেন সাহায্যের হাত। সোশ্যাল মিডিয়াও ভরে উঠেছে সন্দীপবাবুর দ্রুত আরোগ্য কামনায়।