ধর্ষিতাকে বিয়ে করবেন কি? তাহলে মিলবে রেহাই! ধর্ষককে আশ্চর্য প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের

ধর্ষিতাকে বিয়ে করবেন কি? তাহলে মিলবে রেহাই! ধর্ষককে আশ্চর্য প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের
ধর্ষিতাকে বিয়ে করবেন কি? তাহলে মিলবে রেহাই! ধর্ষককে আশ্চর্য প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ। ধর্ষিতা এক নাবালিকা। তবে আদালতে দাঁড়িয়ে বিচারকের প্রস্তাব শুনে চোখ কপালে উঠল উপস্থিত সকলেরই। ধর্ষককে তিনি প্রশ্ন করলেন, “ধর্ষিতাকে বিয়ে করবেন কি? তাহলেই মিলবে রেহাই। নাহলে জেলে যেতে হবে।” স্বাভাবিকভাবেই বিচারকের এহেন প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

মহারাষ্ট্রের স্টেট ইলেকট্রিক প্রোডাকশন কোম্পানির কর্মী মোহিত সুভাষ চবনের বিরুদ্ধে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। Pocso Act-এ ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষিতা নাবালিকা আদালতে দাবি করে, ধর্ষকের পরিবারের তরফে তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি নাবালিকাকে বিয়ের প্রস্তাবও দেয় মোহিত ও তার পরিবার। কিন্তু মেয়েটি সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এরপর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে নাবালিকার ওপর অ্যাসিড হামলা করার ভয়ও দেখাতে থাকে মোহিতের পরিবার। এমনটাই অভিযোগ তোলে নাবালিকা।

সেই মামলারই আগাম জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মোহিত। তখন শুনানির সময়ই বিচারক এক এ বোবদে তাঁকে বিয়ে সংক্রান্ত এই বিতর্কিত প্রশ্ন করেন। বিচারক আরও বলেন, ”আপনি ওকে বিয়ে করতে রাজি হলে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারব। না হলে কিন্তু আপনার জেল হবে। আপনি চাকরিও খোয়াবেন। আমরা আপনার ওপর বিয়ে নিয়ে চাপ দিতে চাই না। সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে। সরকারি কর্মী হয়ে এমন কাণ্ড ঘটানোর আগে আপনার ভাবা উচিত ছিল।”

যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তিটি বিয়েতে রাজি হননি। তিনি জানান, তিনি ইতিমধ্যেই বিবাহিত। তাই আবার বিয়ে করা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তবে এরকম গুরুতর এক অভিযোগের পর বিচারক কী করে ধর্ষককে এই আশ্চর্য প্রস্তাব দিলেন, তা নিয়ে বেশ বিতর্কেরই সৃষ্টি হয়েছে৷ বিচারকের চিন্তাধারা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.